US Tariffs On China: মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধি এড়াতে ভারতের সমর্থন চাইছে চিন; ভারতের পণ্য বৃদ্ধির দিকে ঝোঁক ড্রাগনদের
২০২০ সালে লাদাখ সীমান্ত বিরোধের পর ভারত ও চীন তাদের সম্পর্কের উন্নতির জন্য কাজ করছে। তবে, ভারত চিনা বিনিয়োগের উপর অনেক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা এখনও অপসারণ করা হয়নি। তবে উভয় দেশ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সরাসরি বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু করতে সম্মত হয়েছিল।
হোয়াইট হাউসের (White House) রোজ় গার্ডেন থেকে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর আমেরিকা কর্তৃক আরোপিত নতুন শুল্কের ঘোষণা করেছেন। সেই ঘোষণার আগেই শঙ্কিত চিন ভারতীয় পণ্য ক্রয় বাড়ানো এবং বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। চিনের তরফে বলা হয়েছে যে তারা ভারতের বেশিরভাগ পণ্য আমদানি করবে।গত রাতে আমেরিকা চীনের উপর শুল্ক আরোপের ঘোষণা করে দিয়েছে (US-China Tarriff), যা কার্যকর হচ্ছে ২ এপ্রিল অর্থাৎ বুধবার থেকে।নতুন ঘোষণায় চিন থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শুল্ক এড়াতে ভারতের দিকে পা বাড়াল চিন।তাঁদের তরফ থেকে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নের প্রস্তাব এমন সময়ে এসেছে যখন ভারত বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।
চীনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং বুধবার ভারতীয় কোম্পানিগুলিকে চিনে নতুন ব্যবসার সুযোগ অন্বেষণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।চিনা রাষ্ট্রদূত একটি সাক্ষাত্কারে বলেন "আমরা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদার করতে এবং চিনা বাজারের জন্য উপযুক্ত ভারতীয় পণ্য আমদানি করতে প্রস্তুত," এর পাশাপাশি, তিনি ভারতীয় উদ্যোগগুলিকে চিনে বিনিয়োগ করার এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের সুযোগগুলি অন্বেষণ করারও আহ্বান জানান।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন যে চিন চায় ভারত চিনা কোম্পানিগুলির জন্য একটি ন্যায্য এবং স্বচ্ছ ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করুক, যাতে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও উন্নত করা যায়।
কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে চীন থেকে ইতিবাচক সংকেতঃ-
চিনের এই পদক্ষেপের ঠিক একদিন আগে রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং (China President Xi Jinping) ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)কে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন। ভারত-চিন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ তম বার্ষিকী উপলক্ষে, তিনি দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছিলেন।
২০২০ সালে লাদাখ সীমান্ত বিরোধের পর ভারত ও চীন তাদের সম্পর্কের উন্নতির জন্য কাজ করছে। তবে, ভারত চিনা বিনিয়োগের উপর অনেক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা এখনও অপসারণ করা হয়নি। তবে উভয় দেশ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সরাসরি বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু করতে সম্মত হয়েছিল।
বিশ্ব বাণিজ্যে মার্কিন শুল্কের প্রভাব:-
আমেরিকান অর্থনীতিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং আমেরিকান শিল্পগুলিতে একটি নতুন "স্বর্ণযুগ" দেওয়ার জন্য সেই দেশের পণ্যে পাল্টা তার উপযুক্ত শুল্ক চাপানোর কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বুধবার আমেরিকার স্থানীয় সময় অনুযায়ী বিকেল ৪টেয় (ভারতে রাত দেড়টা) এই ‘পাল্টা’ বা ‘পারস্পরিক শুল্ক’ নিয়ে সবিস্তার জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।ভারতের পণ্যের উপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। ভারত ইতিমধ্যেই বাণিজ্য পার্থক্য এবং শুল্ক বিরোধ মেটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)