Donald Trump Supporter's Wife Arrested: 'দুঃস্বপ্নের' আমেরিকা, হানিমুন সেরে ফিরতেই ট্রাম্প সমর্থনকারীর স্ত্রীকে হঠাৎ তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, তারপর
২০১৯ সালে ওয়ার্ক-স্টাডি ভিসা নিয়ে আমেরিকায় পাড়ি দেন পেরুর বাসিন্দা ক্যামিলা মুনোজ। তিনি এরপর আমেরিকায় কাজ করছিলেন। মুনোজের ভিসা শেষ হলেও, তার মেয়াদ বাড়িয়ে সেখানে থাকছিলেন। সেই ময় তাঁর সঙ্গে বার্টলের পরিচয় হয় এবং তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
দিল্লি, ২৪ মার্চ: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছিলেন। ট্রাম্প (Donald Trump) আসার পর বিভিন্ন দেশের অবৈধ অভিবাসীদের তাঁদের দেশে ফেরাতে শুরু করেন। যার প্রভাব মেক্সিকো (Mexico) থেকে ভারত, সর্বত্র পড়েছে। এবারও তেমনই একটি ঘটনা ঘটল। তবে এবার পেরু (Peru) বংশোদ্ভুদ এক যুগলের উপর নেমে আসে ট্রাম্প প্রশাসনের শাস্তি। জানা যায়, নতুন বিয়ে করে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন উইসকনসিনের এক যুগল ঘুরেফিরে বাড়ি ফেরার পর ওই উসকনসিনে বসবাসকারী ওই তরুণের স্ত্রীকে আটক করে ট্রাম্পের পুলিশ। ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে ওই তরুণী স্বামীর সঙ্গে মার্কিন মুলুকে থাকছিলেন বলে খবর। যা টের পেয়ে হঠাৎ করেই তাঁকে আটক করা হয়।
ব্র্যাডলি বার্টল এবং ক্যামিলা মুনোজ যা জেরে বেকায়দায় পড়েছেন। ক্যামিলা ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে আমেরিকায় স্বামী সঙ্গে যেমন বসবাস করছিলেন, তেমনি সেখানে কর্মরতও। তবে স্ত্রীকে গ্রেফতার করলেও বার্টল ভেঙে পড়েননি। ট্রাম্পের সমর্থনকারী বার্টল জানান, তিনি ভোটের সময় যা করেছেন ঠিক করেছেন। অর্থাৎ ট্রাম্পকে ভোট দিয়ে তিনি অনুতপ্ত নন বলে বার্টল স্পষ্ট জানান এত কিছুর পরও।
জানা যাচ্ছে,
ফেব্রুয়ারিতে বার্টল এবং মুনোজ পুয়ের্তো রিকোয় হানিমুনে যান। সেখান থেকে ফেরার পর হঠাৎ করেই মুনজোকে ট্রাম্পের পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। ভিসা সংক্রান্ত বিষয়েই মুনজোকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্ত্রীর গ্রেফতারির পর একজন আইনজীবীর সাহায্য নেন। তবে আইনি লড়াইয়ের চেয়েও সামাজিক লড়াই কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এই যুগলের কাছে। বহু ঘৃণার মেসেজ বার্টলের কাছে আলতে শুরু করে। তাঁরা এরই যোগ্য বলে মন্তব্য করেন বহু মানুষ। যে পরিস্থিতি কার্যত দুঃস্বপ্নে পরিণত হয় বার্টলের কাছে।