USA vs Iran War: ইরানের ওপর পারমাণবিক হামলার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প! চাঞ্চল্যকর দাবি প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ গ্রিনের
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন শোরগোল তৈরি করলেন প্রাক্তন মার্কিন রিপাবলিকান প্রতিনিধি মারজোরি টেলর গ্রিন।
USA vs Iran War: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন শোরগোল তৈরি করলেন প্রাক্তন মার্কিন রিপাবলিকান প্রতিনিধি মারজোরি টেলর গ্রিন। তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে আলোচনা চলছে। তবে নিজের এই গুরুতর দাবির সপক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ বা নথি তিনি পেশ করেননি।
সামাজিক মাধ্যমে টেলর গ্রিনের বিস্ফোরক পোস্ট
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ একটি পোস্টে টেলর গ্রিন লেখেন,"এটি কোনো কল্পনা বা অনুমান নয়, আমি জানি এটি বাস্তব। এবং এটি চরম নিকৃষ্ট এক পদক্ষেপ। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নকে উপেক্ষা করে ইসরায়েলের সতর্কবার্তাকে অন্ধভাবে অনুসরণের অভিযোগ তোলেন। গ্রিন আরও লেখেন,"ট্রাম্প নতুন করে বিদেশি যুদ্ধ না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো এমন এক পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা করতে যাচ্ছেন যা সমগ্র বিশ্বকে এক নজিরবিহীন সংঘাত, অর্থনৈতিক মহামন্দা ও বিপুল মানবেতর সংকটের দিকে ঠেলে দেবে।"মার্কিন নেতৃত্বকে এই ধরণের পদক্ষেপ থেকে অবিলম্বে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে যুদ্ধ থামানোর আকুল আবেদন জানান তিনি।
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা চরম তুঙ্গে
এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সংঘাত দিন দিন আরও জটিল আকার ধারণ করছে। ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছেন, মার্কিন কোনো সেনাকে হত্যা বা বন্দি করে ইরানি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে পারলে ৩০,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। এমনকি কোনো ইরানি নারী যদি এই কাজ সম্পন্ন করেন, তবে তাঁর পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে। আমেরিকান বাহিনীকে পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালী ত্যাগ করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান। সামগ্রিকভাবে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ পরিস্থিতির সূচনার পর থেকে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ এবং পরমাণু কর্মসূচি কেন্দ্র করে দু'দেশের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। কোনো ধরনের কূটনৈতিক সমঝোতা না হওয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ও যুদ্ধের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।