US Strikes Iran 2026: ইরানে ট্রাম্পের ভয়াবহ হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টা তেহরানের, শুরু যুদ্ধ, হত ১৮

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ফের উত্তপ্ত করে ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর জোরালো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নতুন করে তৈরি হয়েছে চরম যুদ্ধাবস্থা। মার্কিন হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ১০৮ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি।

eople inspect damage and debris at a building that Iranian media said was hit by a U.S. strike while a wedding celebration was taking place there, in Kuhestak, southern Iran, Wednesday, Sept. 2, 2026. (Morteza Akhoondi/Tasnim News Agency via AP)

US Strikes Iran 2026: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ফের উত্তপ্ত করে ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর জোরালো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নতুন করে তৈরি হয়েছে চরম যুদ্ধাবস্থা। মার্কিন হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ১০৮ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি। এই সামরিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আবারও চরমে পৌঁছেছে।

ইরানে রাতভর হামলা ও প্রাণহানি

বুধবার রাতে ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সাধারণ নাগরিকদের বসতি ও পরিষেবা অবকাঠামো লক্ষ্য করে রাতভর হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)। দক্ষিণ ইরানের হোরমোজগান প্রদেশের কুহেস্তাক শহরের একটি বাড়িতে বিয়েবাড়ি চলাকালীন একটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ও তার ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়ে। এতে চার বছরের এক শিশুসহ বেশ কয়েকজন সাধারণ নাগরিক নিহত ও বহু অতিথি গুরুতর আহত হন।

সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ ও তেহরানের কড়া বার্তা

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সামরিক অভিযানকে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আগ্রাসন বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে একে 'যুদ্ধাপরাধ' বলে অভিহিত করা হয়েছে এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ইরান সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা নিজেদের সীমান্ত এবং পরিকাঠামো রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

ওয়াশিংটনের আত্মরক্ষার যুক্তি

মার্কিন সামরিক বাহিনী (CENTCOM) এই হামলার কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, কৌশলগত প্রণালী হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা রোধ এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (IRGC)-এর হুমকি নস্যাৎ করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই হামলা ছিল সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় সাধারণ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে।

পাল্টা হামলা ও আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা

মার্কিন বিমান হামলার জবাবে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। দুই দেশের মধ্যকার এই ক্রমাগত সংঘাত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালীকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক প্রাণহানিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকেই অবিলম্বে কূটনীতির পথে ফেরার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement