Thailand-Cambodia Clash: এভাবে যুদ্ধ করেই মরবে মানুষ? থাইল্যান্ডের হাসপাতালে বোমা মারছে কম্বোডিয়া, ছাড়ছে না অসুস্থদেরও, নিহত ১১, দেখুন ভিডিয়ো
সীমান্তে যখন যুদ্ধ চলছে, সেই সময় থাইল্যান্ডের স্কুল, কলেজ সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যে সমস্ত মানুষের বসবাস, তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে নিরাপত্তার কারণে।
দিল্লি, ২৪ জুলাই: যত সময় গড়াচ্ছে, তত জটিল হচ্ছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়ার সংঘর্ষ (Thailand-Cambodia Clash)। দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে, তার জেরে পরপর মৃত্যুর খবর আসছে। থাইল্যান্ড (Thailand) বং কম্বোডিয়ার (Cambodia) সংঘর্ষের জেরে ১১ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে রিপোর্টে প্রকাশ। তবে এই সংখ্যাটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। কম্বোডিয়া যেমন রকেট ফায়ার করতে শুরু করেছে, তেমনি থাইল্যান্ডের তরফেও চলছে হামলা। কম্বোডিয়ার সেনা বাহিনীর শিবিরগুলি লক্ষ্য করে থাইল্যান্ড হামলা চালাচ্ছে বলে খবর। আর এবার থাইল্যান্ডেলের ডং রাক হাসপাতালে হামলা শুরু করেছে কম্বোডিয়া। সেই ছবি উঠে আসতে শুরু করলে, তা নিয়ে ফের ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য।
দেখুন থাইল্যান্ডের হাসপাতাল লক্ষ্য করে কীভাবে হামলা শুরু করেছে কম্বোডিয়া...
জানা যাচ্ছে, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়ার সীমান্ত এলাকাতেই ডং রাক হাসপাতালে রয়েছে। আর সেখানেই কম্বোডিয়ার একের পর এক গুলি, বোমা উড়ে আসতে শুরু করেছে।
সীমান্তে যখন যুদ্ধ চলছে, সেই সময় থাইল্যান্ডের স্কুল, কলেজ সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যে সমস্ত মানুষের বসবাস, তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে নিরাপত্তার কারণে।
থাই সরকারের তরফে জানানো হয়, কম্বোডিয়া সিসাকেত প্রদেশ লক্ষ্য করে রকেট ছুঁড়তে শুরু করেছে। ফলে সিসাকেত প্রদেশ থেকে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর মেলে।
এদিকেল কম্বোডিয়ার হামলা ঠেকাতে ৬টি যুদ্ধ বিমান মোতায়েন করা হয়েছে সীমান্তে। কম্বোডিয়া কোনওভাবে হামলা করলে, ওই যুদ্ধ বিমানের মাধ্যমে থাইল্যান্ড পালটা জবাব দেবে বলে জানানো হয়েছে।