OFW Viral Video Controversy: দুই ফিলিপিনো কর্মীর ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বিতর্ক

সৌদি আরবে জনসমক্ষে ক্রপ টপ পরে হাঁটার অভিযোগে দুই ফিলিপিনো প্রবাসী কর্মীর ভিডিও পুনরায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের পোশাকবিধি এবং প্রবাসীদের আচরণ নিয়ে ইন্টারনেটে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সৌদি আরবে কর্মরত দুই ফিলিপিনো নারী কর্মীর (OFW) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুনরায় ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটিতে ওই দুই নারীকে সৌদি আরবের একটি রাস্তায় আধুনিক 'ক্রপ টপ' পরে হাঁটতে দেখা গেছে। রক্ষণশীল এই দেশটির জনসমক্ষে এমন পোশাক পরার বিষয়টি নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং প্রবাসীদের জন্য স্থানীয় নিয়ম মানার গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ভাইরাল ভিডিওর প্রেক্ষাপট

টিকটক এবং ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওতে দেখা যায়, দুই ফিলিপিনো কর্মী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রাস্তায় হাঁটছেন। তবে তাদের পরনে থাকা ছোট ক্রপ টপ এবং শরীর প্রদর্শনকারী পোশাক সৌদি আরবের প্রচলিত সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য যে, সৌদি আরবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পোশাকবিধিতে কিছুটা শিথিলতা আনা হলেও জনসমক্ষে শালীনতা বজায় রাখা এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। একদল মনে করছেন, প্রত্যেকের নিজের পছন্দমতো পোশাক পরার স্বাধীনতা থাকা উচিত এবং সৌদি আরবের আধুনিকায়নের পথে এটি একটি সাধারণ চিত্র। অন্যদিকে, বড় একটি অংশ দাবি করছেন যে, প্রবাসীদের উচিত সংশ্লিষ্ট দেশের আইন এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনসমক্ষে পোশাকের ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা লঙ্ঘন করা আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে।

সৌদি আরবের বর্তমান পোশাকবিধি ও আইন

২০১৯ সালে সৌদি আরব 'পাবলিক ডিসেন্সি রেগুলেশন' বা জনসমক্ষে শালীনতা বজায় রাখার বিধিমালা জারি করে। এই নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক এবং প্রবাসী নারীদের আবায়া (বোরকা) পরা বাধ্যতামূলক না হলেও, তাদের এমন পোশাক পরতে বলা হয়েছে যা কাঁধ এবং হাঁটু ঢেকে রাখে। খুব বেশি আঁটসাঁট বা ছোট পোশাক পরা এই বিধিমালার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে, যার ফলে জরিমানার বিধান রয়েছে।

ফিলিপিনো দূতাবাস এবং বিভিন্ন প্রবাসী অধিকার সংগঠন প্রায়শই মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরতদের স্থানীয় রীতিনীতি মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে থাকে। এই ঘটনার পর বিশেষজ্ঞমহল মনে করছেন, সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশায় এমন কোনো কাজ করা উচিত নয় যা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বা চাকরির ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভাইরাল হওয়া ওই দুই কর্মীর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাটি বিদেশের মাটিতে নিজেদের আচরণ এবং পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের জন্য একটি বড় শিক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement