Nepal Suspension Bridge Collapse Video: মহাকালী নদীতে তীব্র স্রোতে ভাঙল নেপালের দ্বিতীয় দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু ‘দোধারা চাঁদনী’
ভয়াবহ দুর্যোগ পশ্চিম নেপালে। ভারী বৃষ্টিপাত ও মহাকালী নদীর রূদ্ররূপের জেরে ধসে পড়ল দেশটির অন্যতম বিখ্যাত এবং দ্বিতীয় দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু 'দোধারা চাঁদনী'। স্থানীয়ভাবে এটি 'মহাকালী সেতু' নামেও অত্যন্ত পরিচিত।
Nepal Suspension Bridge Collapse Video: ভয়াবহ দুর্যোগ পশ্চিম নেপালে। ভারী বৃষ্টিপাত ও মহাকালী নদীর রূদ্ররূপের জেরে ধসে পড়ল দেশটির অন্যতম বিখ্যাত এবং দ্বিতীয় দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু 'দোধারা চাঁদনী'। স্থানীয়ভাবে এটি 'মহাকালী সেতু' নামেও অত্যন্ত পরিচিত। কঞ্চনপুর জেলায় অবস্থিত এই মাল্টি-স্প্যান পথচারী ঝুলন্ত সেতুটি ভীমদত্ত পৌরসভা এবং দোধারা চাঁদনী এলাকাকে যুক্ত করেছিল। আজ, বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ নদীর তীব্র স্রোত ও লাগাতার পলি ক্ষয়ের কারণে সেতুটির একটি মূল সাপোর্ট পিলার ধসে পড়ে। ফলে ঝুলন্ত সেতুর বিশাল একটি স্প্যান নদীতে ভেঙে পড়ে মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যায়।
মহাকালী নদীর জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছিল
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রের খবর, বিগত কিছুদিন ধরেই মহাকালী নদীর জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছিল। বানের জলের তোড়ে ভীমদত্ত পৌরসভার দিকের ৬ নম্বর পিলার এবং দোধারা চাঁদনীর দিকের ৩ নম্বর পিলারের গোড়ার মাটি সম্পূর্ণ ধসে যায়। এর ফলেই ঘটে এই বিপর্যয়। প্রায় ১,৪৫২.৯৬ মিটার দীর্ঘ এই ঐতিহাসিক ঝুলন্ত সেতুটি ২০০৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি শুধু নেপাল নয়, সমগ্র এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ পথচারী ঝুলন্ত সেতু হিসেবে গণ্য হতো। প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ এবং দু'চাকার হালকা যানবাহন এই সেতুর ওপর নির্ভর করে যাতায়াত করত।
দেখুন ব্রিজ ভেঙে পড়ার ভিডিও
যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন
সেতুটির একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ায় দুই পাড়ের সরাসরি যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এর ফলে দোধারা চাঁদনী এলাকার অধিবাসীরা জেলা সদরে পৌঁছানোর মূল পথ হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। এই মুহূর্তে সেতুর ওপর দিয়ে সমস্ত ধরনের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 'সুদূরপশ্চিম প্রদেশ পরিবহন পরিকাঠামো নির্দেশালয়'-এর একটি বিশেষ কারিগরি দল ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ পরিমাণ মূল্যায়নে কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে মহাকালী নদীর নিম্নাঞ্চলের এলাকাগুলিতে নতুন করে নদী ভাঙনের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন। বর্ষার প্রবল বন্যায় নদীর ওপর তৈরি এই ধরনের পরিকাঠামো কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, এই দুর্ঘটনা ফের তা প্রমাণ করে দিল।