Japan Earthquake: জাপানে ভোরের আলো ফুটতেই প্রবল কম্পন, ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল টোকিও সহ বিস্তীর্ণ এলাকা
Japan Earthquake: ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎই কেঁপে উঠল জাপান। মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দেশের কানতো অঞ্চলে এক মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
Japan Earthquake: রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯। ভূকম্পনের ঝাঁকুনি এতটাই স্পষ্ট ছিল যে রাজধানী টোকিও সহ আশেপাশের একাধিক শহরের অধিবাসীদের ঘুম ভেঙে যায়। জাপান আবহাওয়া সংস্থা (JMA) সূত্রে খবর, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় ইবারাকি প্রশাসনিক অঞ্চল (৩৬.১° উত্তর অক্ষাংশ এবং ১৩৯.৯° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎপত্তি হয়।
কম্পনের সর্বোচ্চ মাত্রা ৪
জাপানের নিজস্ব 'সাইসমিক ইন্টেনসিটি স্কেল' অনুযায়ী, ইবারাকি এবং পার্শ্ববর্তী সাইতামা অঞ্চলের কিছু অংশে কম্পনের তীব্রতা সর্বোচ্চ ৪ মাত্রা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, রাজধানী টোকিওর মধ্যবর্তী অঞ্চল সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্রতা ছিল ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। কম্পনের ফলে টোকিওর একাধিক বহুতল ভবন কিছুক্ষণের জন্য দুলতে শুরু করে। ভোরবেলা এই ঘটনা ঘটায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সাময়িক উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও, বড় ধরনের কোনো বিপদের খবর মেলেনি। কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই ভূমিকম্পের ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই এবং তাই কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
দেখুন খবরটি
নজরে পারমাণবিক কেন্দ্র
ভূমিকম্পের পরেই নজর দেওয়া হয় অঞ্চলের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তার দিকে। 'জাপান অ্যাটমিক পাওয়ার কোম্পানি' নিশ্চিত করেছে যে, ইবারাকিতে অবস্থিত 'তোকাই নম্বর ২' পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো অসংগতি দেখা দেয়নি এবং সেটি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। স্ট্যান্ডার্ড ভূমিকম্প সতর্কতার বাইরে বাড়তি কোনো জরুরি অ্যালার্টেরও প্রয়োজন পড়েনি। সার্বিকভাবে, বিশাল এলাকা জুড়ে কম্পন টের পাওয়া গেলেও ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় স্বস্তিতে স্থানীয় বাসিন্দারা।