মসজিদের ইমামকে কুপিয়ে খুন করেছিল, অপরাধীকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিল ইরান

মসজিদের ইমাম সাহেবকে কুপিয়ে খুন করেছে সে। আদালতের বিচারে ফাঁসির সাজা শুনেছে আসামী হামিদ রেজা দেরাখশন্দে (Hamid Reza Derakhshandeh)। এবার হামিদকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিল ইরানের সরকার (Iran Govt)। গত রমজানেই তেহরানের ফারস প্রদেশের কাজেরুন শহরের ইমামকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করে হামিদ। প্রকাশ্যেই খুনের ঘটনা ঘটে। ২৯ মে হত্যালীলা সংঘটিত হয়। এর কয়েকদিনের মধ্যেই হামিদ ধরা পড়ে যায়। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে ফাঁসির সাজা পায় হামিদ। এদিন যেখানে ইমামকে সে খুন করেছিল, সেখানেই হামিদের ফাঁসি হয়েছে।

প্রতীকী ছবি(Photo Credit: Pixabay)

তেহরান, ২৮ আগস্ট: মসজিদের ইমাম সাহেবকে কুপিয়ে খুন করেছে সে। আদালতের বিচারে ফাঁসির সাজা শুনেছে আসামী হামিদ রেজা দেরাখশন্দে (Hamid Reza Derakhshandeh)। এবার হামিদকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিল ইরানের সরকার (Iran Govt)। গত রমজানেই তেহরানের ফারস প্রদেশের কাজেরুন শহরের ইমামকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করে হামিদ। প্রকাশ্যেই খুনের ঘটনা ঘটে। ২৯ মে হত্যালীলা সংঘটিত হয়। এর কয়েকদিনের মধ্যেই হামিদ ধরা পড়ে যায়। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে ফাঁসির সাজা পায় হামিদ। এদিন যেখানে ইমামকে সে খুন করেছিল, সেখানেই হামিদের ফাঁসি হয়েছে। অপরাধীর শাস্তি পাওয়া নিয়ে গোটা বিশ্বের কোনও মাথাব্যথা নেই কিন্তু প্রকাশ্যে ফাঁসির ঘটনায় হতবাক বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলি। এই মধ্যযুগীয় প্রথাকে মানতে না পেরে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ।

তবে এই প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়ার বিষয়টি ইরানে নতুন কিছু নয়। গত মাসেই এক মহিলাকে এভাবেই ফাঁসি দিয়েছে সেখানকার আদালত। গত রবিবারই উত্তর পূর্ব ইরানের মাসাদ শহরে ঘটনাটি ঘটেছে। এই প্রসঙ্গে ইরানের ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অব রেজিস্ট্যান্স’ নামের মহিলা পরিচালিত সংগঠনটির দাবি হাসান রুহানি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই পর্যন্ত কমপক্ষে ১০০ জন মহিলাকে প্রকাশ্যে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। ২০১৩-তে ক্ষমতায় এসেছেন রুহানি, তারপর থেকে অপরাধীদের ফাঁসির সাজা পাওয়া ভবিতব্য হয়ে গিয়েছে। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে রুহানির শাসনকালে ৩ হাজার ৮০০ জন ফাঁসির দড়ি গলায় পড়েছে। তবে অপরাধ যতই ভয়ঙ্কর হোক না কেন অপরাধীকে প্রাকাশ্যে ফাঁসী দেওয়াতে বেজায় অসন্তুষ্ট বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। আরও পড়ুন-ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অক্টোবরে পুরোদমে শুরু হবে, ভবিষ্যতবাণী পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ আমেদের

এদিকে ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা)’ (IRNA)–র খবর অনুযায়ী হামিদ রেজা যখন ইমাম মহম্মদ খোরসান্দকে (Mohammad Khorsand) কুপিয় খুন করে, তখন রমজানের নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন খোরসান্দ। সেই সময় আচমকাই তাঁর উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে হামিদ। তবে কীকারণে সে এই নারকীয় হত্যালীলা চালাল, তানিয়ে একটি বাক্যও ব্যায় করেনি। ফাঁসির সাজা পেয়েও কোনও রকম বিচলিত দেখায়নি হামিদকে। ইরানের নিয়ম অনুযায়ী মৃতের পরিবার যদি ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে অপরাধীর সাজা মকুব করে তাহলে ফাঁসি হয় না। কিন্তু এক্ষেত্রে ইমাম খোরসান্দের পরিবার কোনও ক্ষতিপূরণে রাজি হয়নি।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement