World's Largest Hydropower Dam: পৃথিবীর জলবায়ু পালটে দিচ্ছে চিন? বিশ্বের সবেচেয় বড় বাঁধ দিতে চলেছে বেজিং, ক্ষতির মুখে এশিয়া?

চিনের এই সুবিশাল বাঁধের জেরে ভারত এবং বাংলাদেশের বহু মানুষের উপর তার প্রভাব পড়বে। এমন উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ২ দেশের তরফে। বিভিন্ন পরিবেশ রক্ষাকারী সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির তরফেও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

China's Hydropower Dam (Photo Credit: X)

দিল্লি, ২১ জুলাই: চিনের (China) বড় সিদ্ধান্ত। বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধের (World's Largest Hydropower Dam) নির্মাণ কাজ শুরু করছে চিন। যে জলবিদ্যুৎ বাঁধ তিব্বত (Tibet)  মালভূমির পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। এমনই জানানো হয়েছে চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের তরফে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুতের যে বাঁধের নির্মাণ চিন করতে চলেছে, তার আনুমানিক খরচ ১৭০ বিলিয়ন ডলার। চিনের সংবাদ সংস্থা জিনহুয়ার তরফে এই খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

রিপোর্টে প্রকাশ, ইয়াংজি নদীর উপর বাঁধ দেওয়া হচ্ছে। জলবিদ্যুৎ সংক্রান্ত যে প্রকল্পগুলি চিন সম্পন্ন করেছে কিংবা ভবিষ্যতে করবে, সেগুলির মধ্যে এটি অন্যতম বড় প্রকল্প বলেই জানানো হয়েছে বেজিংয়ের তরফে। তবে সবে প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। চিনের এই সুবিশাল প্রকল্প শুরু হতে হতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত লম্বা সময় লেগে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চিনের এই সুবিশাল বাঁধের জেরে ভারত এবং বাংলাদেশের বহু মানুষের উপর তার প্রভাব পড়বে। এমন উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ২ দেশের তরফে। বিভিন্ন পরিবেশ রক্ষাকারী সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির তরফেও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে প্রায় সব ধরনের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করেই চিন এই সুবিশাল বাঁধের কাজের সূচনা করতে চলেছে বলে ঘোষণা করেছে।

যদিও বেজিংয়ের (Beijing) যুক্তি একেবারে উলটো। বেজিংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ইয়াংজি নদীর উপর যে বাঁধ দেওয়া হবে, তার জেরে ৩০০ বিলিয়ন কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। এই বিদ্যুৎ গোটা তিব্বতের বিদ্যুতের চাহিদা যেমন পূরণ করতে পারবে, তেমনি চিনের একাধিক অংশেরও বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। ফলে ওজর আপত্তি সত্ত্বেও চিন যে সেদিকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ, তা কার্যত স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement