Balochistan Horror: বালোচিস্তানে আতঙ্ক, নতুন দেশ গঠন হতে না হতেই শুরু হত্যাকাণ্ড, নিজেদের পছন্দে বিয়ে করায় মেরে ফেলা হল দম্পতিকে, মোট খুনের সংখ্যা শুনলে আঁতকে উঠবেন
গত মাসে বালোচিস্তানের এক দম্পতিকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। সম্প্রতি সেই ভিডিয়ো ফাঁস হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় জোরদার সমালোচনা। জানা যায়, ওই দম্পতির মাঝে যে মহিলা ছিলেন, তাঁকে হত্যা করে তাঁর দাদা। যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধীনে ওই মহিলা ছিলেন, সেখানকারই প্রধান হত্যার নির্দেশ দেয়।
দিল্লি, ২২ জুলাই: ভালবেসে বিয়ে করার অপরাধে বালোচিস্তানে (Balochistan) মেরে ফেলা হল এক দম্পতিকে (Baloch Couple)। পারিবারিক সম্মান রক্ষায় (Honour Killing) যে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, তার জেরে ইতিমধ্যেই ১৪ জনকে পুলিশ পাকড়াও করেছে বলে খবর। সেই সঙ্গে পুলিশ দায়ের করেছে এফআইআর। বালোচিস্তানের ওই দম্পতিকে পারবারিক সম্মান রক্ষার জন্য কীভাবে খুন করা হয়, তা নিয়ে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে।
রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, বালোচিস্তানের ওই দম্পতি নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের বিয়েতে পরিবারের কোনও সম্মতি ছিল না। পরিবারের অসম্মতিতে বিয়ের জেরেই বালোচিস্তানেরওই দম্পতিকে হত্যা করা হয় বলে খবর। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের তরফে ওই বালোচ দম্পতিকে পিটিয়ে মারার খবর নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এরপরই বালোচিস্তাের মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন।
বালোচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগটি বলেন, এইভাবে খুনের অধিকার কারও নেই। কেউ যদি নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেন, তাহলে তাঁদের মেরে ফেলার অধিকার কারও হাতে নেই বলে স্পষ্ট জানান বালোচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী। এটা অপরাধ। কোনওভাবেই এই অপরাধ ক্ষমার যোগ্য নয় বলে মান্তব্য করেন বালোচ মুখ্যমন্ত্রী।
দেখুন সেই ভয়াবহ ভিডিয়ো...
বালোচিস্তানে ভয়াবহতা
গত মাসে বালোচিস্তানের এক দম্পতিকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। সম্প্রতি সেই ভিডিয়ো ফাঁস হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় জোরদার সমালোচনা। জানা যায়, ওই দম্পতির মাঝে যে মহিলা ছিলেন, তাঁকে হত্যা করে তাঁর দাদা। যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধীনে ওই মহিলা ছিলেন, সেখানকারই প্রধান হত্যার নির্দেশ দেয়।
কী জানাল পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন
পাক মানবাধিকার (Pakistan) কমিশনের তরফে জানানো হয়, ২০২৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত বালোচিস্তানে ৪০৫টি পারিবারিক সম্মান রক্ষায় খুনের খবর মিলেছে। পারিবারিক সম্মান রক্ষায় যাঁদের হত্যা করা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই মহিলা বলেও পাক প্রশাসনের তরফে জানানো হয়।