Angela Rayner Resigned: ইস্তফা ইংল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেইনারের, পদত্যাগের কারণটা শুনলে আঁতকে উঠবেন
কর কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোর পর শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন ব্রিটেনের উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেইনার। প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার পর ব্রিটেনে রেইনারকেই সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ বলে অ্যাখা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু 'রেইনার প্রপার্টি স্ক্যান্ডাল'দেশের মিডিয়া তোলপাড় করার পর রেইনার শেষ পর্যন্ত ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন।
Angela Rayner Resigned: ব্রিটেনে ব্রেকিং নিউজ। কর কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোর পর শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন ব্রিটেনের উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেইনার। প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার পর ব্রিটেনে রেইনারকেই সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ বলে অ্যাখা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু 'রেইনার প্রপার্টি স্ক্যান্ডাল'দেশের মিডিয়া তোলপাড় করার পর রেইনার শেষ পর্যন্ত ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন। গত মে মাসে ইংল্যান্ডের হোভ এলাকায় প্রায় ৮ লক্ষ পাউন্ড মূল্যের এক ফ্ল্যাট কেনার সময় ৪৫ বছরের গ্রেটার ম্য়ানচেস্টারের লেবার পার্টির প্রভাবশালী নেত্রী তথা দেশের ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার রেইনার স্ট্যাম্প ডিউটি কর বাবদ প্রাপ্য অর্থ দেননি। পাশাপাশি তিনি প্রায় ৪০ হাজার পাউন্ড কর কম দিয়েছিলেন বলে প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, ওই ফ্ল্যাটকে তিনি নিজের প্রধান আবাসিক সম্পত্তি হিসাবে দেখিয়েছিলেন, যদিও তার বৈধ প্রধান বাসভবন ছিল অ্যাশটন-আন্ডার-লাইনে। এর ফলে কর নিয়ে অসঙ্গতি তৈরি হয়।
মাত্র ১৬ বছর বয়েসে মা হয়েছিলেন, ১২ বছরের ব্রিটেনের রাজনীতিতে ধুমকেতুর গতিতে উত্থান
এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। মিডিয়া তদন্তে পরিষ্কার হতে থাকে কর সংক্রান্ত বিষয়ে রেইনার অন্য়ায় করেছেন। চাপের মুখে বুধবার রেইনার নিজে ভুল স্বীকার করে জানিয়ে ছিলেন, তিনি ভুল আইনি পরামর্শের উপর নির্ভর করেছিলেন। ওই পরামর্শে বলা হয়েছিল, দ্বিতীয় বাসভবনের জন্য যে বেশি হারে কর প্রযোজ্য, তা তাঁর ক্ষেত্রে হবে না। জটিল ব্যক্তিগত পরিস্থিতি যেমন ২০২৩ সালের বিবাহবিচ্ছেদ এবং ছেলের আজীবন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার সম্পত্তি সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এই কেলেঙ্কারি রেইনারের রাজনৈতিক ভাবমূর্তিতে বড় আঘাত হানে। কারণ, অতীতে তিনি কনজারভেটিভ মন্ত্রীদের অসদাচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। এবার বিরোধীরা বিশেষত কনজারভেটিভ নেতা কেমি বেডেনোক এবং শ্যাডো চ্যান্সেলর মেল স্ট্রাইড প্রকাশ্যে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
ট্রেড ইউনিয়ন নেত্রী থেকে উপপ্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার প্রথমে রেইনারকে সমর্থন জানালেও, পরে মিডিয়ার চাপ বাড়তে ও নৈতিকতা তদন্তের মুখে অবশেষে তিনি পদত্যাগ করতে বলেন। দলের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়ন সমর্থক এবং জনসংযোগের সেতুবন্ধনকারী হিসেবে রেইনারের বিদায় স্টারমারের সরকারের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)