Murshidabad Violence: মুর্শিদাবাদের হিংসার পিছনে দায়ী কারা? তদন্ত করতে সিট গঠন রাজ্যের
এই গোটা ঘটনায় ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতীদের এনে এই গোলমাল পাকানো হয়েছে বলে দাবি মমতার।
কলকাতাঃ ওয়াকফ ইস্যুতে (Waqf Protest) জ্বলে উঠেছিল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনের নামে পোড়ানো হয়েছে বাড়িঘর, দোকান (Shop)। ঘর ছাড়া বহু মানুষ। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। এই গোটা ঘটনায় ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতীদের এনে এই গোলমাল পাকানো হয়েছে বলে দাবি মমতার। এই গোটা ঘটনায় বিজেপির হাত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মমতা। কারা এই হিংসা পাকালো? গুলি করেছিল কে? এই সব বিষয়ে পূর্ণ তদন্তের কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার এই বক্তব্যের পরই মুর্শিদাবাদ হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য সিট গঠন করল রাজ্য পুলিশ। মোট ৯ সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। ৯ সদস্যের এই বিশেষ দলের মাথায় রয়েছেন আইবির এক কর্তা। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক অফিসারের নেতৃত্বে কাজ করবে এই দল। পাশাপাশি এই দলে রয়েছে জেলা পুলিশও। গোটা ঘটনার তদন্ত করে পূর্ণ রিপোর্ট জমা দেবে এই বিশেষ তদন্তকারী দল।
মুর্শিদাবাদে হিংসা ছড়াল কারা? খুঁজে বের করতে সিট গঠন
প্রসঙ্গত, ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদ। হিংসা ছড়ায় সুতি, ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় দোকানপাট, ঘরবাড়ি। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশের গাড়িতে। সামশেরগঞ্জে খুন হন বাবা-ছেলে। এককথায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুর্শিদাবাদ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ মতো মুর্শিদাবাদে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বর্তমানে থমথমে গোটা জেলা। নতুন করে অশান্তির খবর মেলেনি। তবে এখনও আতঙ্কে সাধারণ মানুষ। রাস্তাঘাট ফাঁকা। রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
মুর্শিদাবাদের হিংসার পিছনে দায়ী কারা? তদন্ত করতে সিট গঠন রাজ্যের