West Bengal: শিকেয় সামাজিক দূরত্ব, টিকিয়াপাড়ায় স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে মিছিল পুলিশের; ভাইরাল ভিডিয়ো

ফের খবরে টিকিয়াপাড়া (Tikiapra)। তবে এবার পুলিশকে মারেনি দুষ্কৃতীরা। এবার পুলিশের সঙ্গে মিছিল (Rally) করল স্থনীয় বাসিন্দারা। তাও আবার লকডাউনে, কোনও সামাজিক দূরত্ব না মেনে। আর সেই টিকিয়াপাড়ারই ওই ভিডিয়ো ভাইরাল (Viral Video)। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, সামনে হেঁটে যাচ্ছে পুলিশ। তাদের পিছনে যাচ্ছে একদল লোক। যাদের মুখে মাস্ক থাকলেও, তাদের মধ্যে সোশাল ডিসট্যান্স প্রায় নেই বললেই চলে। অনেকেই পুলিশকে লক্ষ্য করে ফুল ছুঁড়ছে।

টিকিয়াপাড়ায় স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে মিছিল পুলিশের (Photo: ANI)

টিকিয়াপাড়া, ৩ মে: ফের খবরে টিকিয়াপাড়া (Tikiapra)। তবে এবার পুলিশকে মারেনি দুষ্কৃতীরা। এবার পুলিশের সঙ্গে মিছিল (Rally) করল স্থনীয় বাসিন্দারা। তাও আবার লকডাউনে, কোনও সামাজিক দূরত্ব না মেনে। আর সেই টিকিয়াপাড়ারই ওই ভিডিয়ো ভাইরাল (Viral Video)। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, সামনে হেঁটে যাচ্ছে পুলিশ। তাদের পিছনে যাচ্ছে একদল লোক। যাদের মুখে মাস্ক থাকলেও, তাদের মধ্যে সোশাল ডিসট্যান্স প্রায় নেই বললেই চলে। অনেকেই পুলিশকে লক্ষ্য করে ফুল ছুঁড়ছে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, আজ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে নিয়ে একটি সচেতনতা র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। পুলিশ আয়োজন করেছিল। আর তাতেই নাকি যোগ দিয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য অন্তত ২০০ জনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যদের দেওয়া হয় টি-শার্টও। রবিবার দুপুরের দিকে সে কারণে টিকিয়াপাড়ায় গিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। ডিসি হেড কোয়ার্টার প্রিয়ব্রত রায়ের দাবি, সেই সময়ে বেশ কয়েকজন তাঁদের দেখে এগিয়ে আসেন। ভিড় জমায় তাঁদের ঘিরে। এই ঘটনারই বেশ কয়েকটি ছবি এবং ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আরও পড়ুন: Coronavirus In India: দেশে করোনা আক্রান্ত ছাড়াল ৪০ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ১৩০৬

এ বিষয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি সেন্ট্রাল অলোক দাশগুপ্ত (Alok Dasgupta) বলেন, "আমরা একটা কোভিড জিরো ভলান্টিয়ার টিম তৈরি করেছি। ১০০ সদস্য রাখা হয়েছে ওই টিমে। সবজি বিক্রেতা বা ফল বিক্রেতারা যাতে রাস্তায় এসে ভিড় না বাড়ান, সেই দেখাশোনা করবে এই টিম। হাওড়ার টিকিয়াপাড়া ফাঁড়ি থেকে বেলিলিয়াস রোড পর্যন্ত এই র‍্যালি হয়। তাতে স্থানীয় বাসিন্দারা যোগ দেয়। আমরা তাদের বাড়ি চলে যেতে বলি।"

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement