Durgapur Gang Rape Case: বিজেপি রাজনীতি করছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বলেইছে..., দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য মানস ভুঁইয়ার
দুর্গাপুরের গণধর্ষণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার ৬ অভিযুক্ত। যার মধ্যে নির্যাতিতার সহপাঠীও রয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ ইতিমধ্যেই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নিয়েছে।
দুর্গাপুরের গণধর্ষণকাণ্ডে (Durgapur Gang Rape Case) ইতিমধ্যেই গ্রেফতার ৬ অভিযুক্ত। যার মধ্যে নির্যাতিতার সহপাঠীও রয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ ইতিমধ্যেই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নিয়েছে। সেই জবানবন্দি অনুযায়ী, ধর্ষক একজনই। ফলে গণধর্ষণের তত্ত্ব খারিজ হয়ে যাচ্ছে। এদিকে এই ঘটনার পর অর্থাৎ গত রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারির নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপর এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও সেদিনে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কিছু অংশ নিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনা শুরু হয়। যেখানে তিনি মেয়েদের রাতবিরেতে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছেন।
কী বললেন মানস ভুঁইয়া?
তবে পরে অবশ্য তিনি নিজেই বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে তাঁর মন্তব্য বিকৃত করা হচ্ছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হতেই তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা প্রসঙ্গটি কার্যত এড়িয়ে যাচ্ছেন। রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, দুর্গাপুরের ঘটনার কড়া নিন্দা দল করেছে। আমরা চাই অভিযুক্তরা কঠিন শাস্তি পাক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিরো টলারেন্স নীতির ওপর জোড় দিয়েছেন। ৬ অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই ঘটনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্তই হবে।
দেখুন মানস ভুঁইয়ার মন্তব্য
দুর্গাপুরে ধর্ষণকাণ্ড
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সন্ধ্যের দিকে দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানা এলাকায় একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কিছুটা দূরেই জঙ্গলের মধ্যে ধর্ষিত হণ এক ডাক্তারি পড়ুয়া। অভিযোগ, সহপাঠী বন্ধুর সঙ্গে খেতে বেরিয়েছিলেন ওই কলেজেরই দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া। কলেজের বাইরে জঙ্গল এলাকায় একদল ব্যক্তি তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এই ঘটনার পর নির্যাতিতাকে না বাঁচিয়ে তাঁর বন্ধু পালিয়ে যায়। কলেজের মধ্যে ঢুকে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর ফের ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ফলে তাঁর ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।