শীতলকুচিতে নিরঙ্কুশ জয় পেল তৃণমূল ৷ শীতলকুচি্র ৮ গ্রাম পঞ্চায়েতের সবক’টিতে জয় হয়েছে ঘাসফুলের ৷
রক্ত, সন্ত্রাস, কারচুপি, ছাপ্পা, ব্যালট নিয়ে দৌড় সবকিছুর পরে আজ গোটা বাংলার মানুষ তাকিয়ে আছে গ্রাম বাংলার রায়ের দিকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় সকাল ৮ থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের গননার সময় থাকবেন একজন করে কাউন্টিং অফিসার এবং একজন কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট। সঙ্গে থাকবেন প্রতি প্রার্থীর একজন করে কাউন্টিং এজেন্ট।প্রতি গণনা কেন্দ্রে ব্লক পিছু একজন করে অবজারভার ও জেলা পিছু একজন করে স্পেশাল অবজার্ভার থাকবেন। গ্রাম পঞ্চায়েতে এবং জেলা পরিষদের প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট থাকতে পারলেও পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রার্থী থাকতে পারবেন কোনও এজেন্ট থাকতে পারবেন না।
বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, গ্রাম বাংলায় তৃণমূলের দাপট বজায় থাকছে। এবিপি এবং সি ভোটারের সমীক্ষা বলছে, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলা পরিষদ দখল করতে পারে বিজেপি। দক্ষিণ দিনাজপুর, পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলকে কড়া টক্কর দিতে পারে গেরুয়া শিবির। ওদিকে মালদা, মুর্শিদাবাদে বাম-কংগ্রেস টক্কর দিতে পারে তৃণমূলকে। বাকি সব জেলাতেই তৃণমূলের জয়জয়কার হতে পারে।