Accident: সেলফি তুলতে গিয়ে দার্জিলিংয়ে টয়ট্রেন থেকে পা পিছলে মৃত্যু রিষড়ার ব্যক্তির

দার্জিলিঙে (Darjeeling) ঘুরতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সেলফি (Selfie) তুলতে গিয়ে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) টয়ট্রেন (Toytrain) থেকে পা পিছলে পড়ে মারা গেলেন প্রদীপ সাক্সেনা (Pradeep Saxena)। পঞ্চমীর দিন সপরিবারে দার্জিলিং বেড়াতে গিয়েছিলেন রিষড়ার বাঙুরপার্কের বাসিন্দা প্রদীপ সাক্সেনা। তিনি পেশায় কেবল অপারেটার। একাদশীর দিন সন্ধ্যাবেলায় বাগডোগরা থেকে কলকাতা ফেরার কথা ছিল তাদের। কিন্তু আর ফেরা হল না প্রদীপ সাক্সেনার। তরতাজা প্রান্তি ছবি তুলতে গিয়ে ফিরলেন ছবি হয়ে।

দার্জিলিংয়ের টয়ট্রেন (Photo Credits: Pixabay)

কলকাতা, ১০ অক্টোবর: দার্জিলিঙে (Darjeeling) ঘুরতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সেলফি (Selfie) তুলতে গিয়ে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) টয়ট্রেন (Toytrain) থেকে পা পিছলে পড়ে মারা গেলেন প্রদীপ সাক্সেনা (Pradeep Saxena)। পঞ্চমীর দিন সপরিবারে দার্জিলিং বেড়াতে গিয়েছিলেন রিষড়ার বাঙুরপার্কের বাসিন্দা প্রদীপ সাক্সেনা। তিনি পেশায় কেবল অপারেটার। একাদশীর দিন সন্ধ্যাবেলায় বাগডোগরা থেকে কলকাতা ফেরার কথা ছিল তাদের। কিন্তু আর ফেরা হল না প্রদীপ সাক্সেনার। তরতাজা প্রান্তি ছবি তুলতে গিয়ে ফিরলেন ছবি হয়ে।

একাদশীর দিন হোটেল থেকে চেক আউট করেন তারা। তারপর তারা চলে যান ঘুম স্টেশন। সেখান থেকে টয় ট্রেনে সস্ত্রীক টয়ট্রেনে চাপেন প্রদীপবাবু। স্ত্রী নম্রতা সাক্সেনা ও মেয়ে অনুশ্রীকে সঙ্গে করে নিয়ে উঠেছিলেন। ট্রেন যখন ঘুম স্টেশন ছেড়ে বাতাসিয়া লুপের কাছে পৌঁছয় তখন টয়ট্রেনের দরজা খুলে সেলফি তুলতে যান প্রদীপবাবু। আর তাতেই বাধে বিপত্তি। আরও পড়ুন, গোটা পরিবারকে? প্রাথমিক তদন্তের পর, পুলিশের সন্দেহ এক 'তৃতীয় ব্যক্তি' কে নিয়ে।

চলন্ত ট্রেন থেকে পা পিছলে পড়ে যান। মাথায় গুরুতর চোট পান। তাঁকে দার্জিলিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সেখানে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব হাসপাতালে যান। পরিবারের লোকের কাছে খবরটি পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। নেমে আসে শোকের ছায়া। রিষড়ার বাড়িতে বাঙ্গুরপার্কে সকালেই দেহ এসে পৌঁছায়।

এলাকায় খুবই জনপ্রিয় ছিলেন প্রদীপবাবু। তাঁর বন্ধু বাবুল বিশ্বাস জানান, "বেড়াতে যাওয়া আর ছবি তোলা নেশা ছিল প্রদীপের। সেই ছবি তুলতে গিয়েই নিজের প্রাণটা হারাল ও।" মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ সাক্সেনা পরিবার।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement