Fishing Ban In Sea: ইলিশ সহ সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য, সমুদ্রে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল সরকার

Fisshing Banned (Photo Credit: X@airnews_kolkata)

সমুদ্রে মাছের জোগান কমছে, তাই ইলিশ সহ সামুদ্রিক মাছ প্রজনন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর সরকারি বিধি নিষেধ চালু হচ্ছে। ১৪’ই জুন পর্যন্ত অর্থাৎ দু’মাস, সমুদ্রে মাছ ধরা যাবে না।রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টি ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের সংগঠনগুলিকে অবহিত করা হয়েছে। বিভিন্ন বন্দরে চলছে প্রচার।কাকদ্বীপ, নামখানা, সাগর, পাথর প্রতিমার বন্দরগুলিতে নোঙর করা হচ্ছে সামুদ্রিক ট্রলারগুলি।

রাজ্য মৎস্য দপ্তর মাছের উৎপাদন বাড়াতে বা মাছের প্রজনন যাতে ব্যাহত না হয় তার জন্য প্রতি বছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ৬০ দিন ব্যান পিরিয়ড বা সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। কিন্ত মৎস্যজীবীদের দাবি, ৬০ দিন নয়, সমুদ্রে ট্রলিং বন্ধ রাখার সময়সীমা ১৮০ দিন করতে হবে। কারণ অভিযোগ, যথেচ্ছ ট্রলিংয়ের (ট্রলারে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা) কারণে বছরে একটা বিশেষ সময় জুড়ে সমুদ্রে মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। তাই মাছের উৎপাদন বাড়াতে সমুদ্রে ট্রলিং বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানোর দাবি তুলেছেন মৎস্যজীবীরা।  ট্রলিং নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সমুদ্রে মাছের আকালের কারণে মৎস্যজীবীদের না খেয়ে মরতে হবে বলেও জানান মৎসজীবিরা।

মার্চ–এপ্রিল থেকে সামুদ্রিক মাছেদের প্রজননের মরশুম শুরু হয়। অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের পাশাপাশি জুনে বৃষ্টি নামলেই ইলিশও ডিম পাড়ার জন্য উপকূলের দিকে আসে।মৎস্যজীবীদের কথায়, মাছেদের প্রজননের জন্যে শুধু ব্যান পিরিয়ড করলে হবে না। ছোট ছোট মাছকে বড় হতে সময় দেওয়ার জন্যে সমুদ্রে মাছ ধরার সময়সীমাও বাড়াতে হবে। ডিম পাড়ার পর যদি ট্রলিংয়ের জালে ছোট মাছ ধরা পড়ে তা হলে মাছের আকার যেমন বড় হবে না, তেমনি সমুদ্রে নানা ধরনের মাছের পরিমাণ কমে যাবে।

 

 

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement