Murshidabad: পুলিশের ছদ্মবেশে দোকানদারকে অপহরণ, তদন্তকারীদের জালে সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ ৮ অভিযুক্ত

মুদির দোকানদারকে অপহরণ করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার আটক করা হয় আট অভিযুক্তকে। বুধবার রাতে কার্যত বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই ব্যক্তি।

মুদির দোকানদারকে অপহরণ করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার আটক করা হয় আট অভিযুক্তকে। বুধবার রাতে কার্যত বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকল থানা এলাকায়। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ওই ব্যক্তিকে অপহরণকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সঙ্গে আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। যাঁদের মধ্যে একজন আবার ডোমকল থানায় কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার। পুলিশসূত্রে খবর, তাঁরই পরিকল্পনায় নকল পুলিশ সেজে অপহরণের কাণ্ড ঘটনায় অভিযুক্তরা। তবে ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

কেন এই অপহরণ?

জানা যাচ্ছে, অপহৃত লাল চাঁদ মণ্ডলের বাবার দুটি বিয়ে। তাঁর প্রথম পক্ষের ছেলে অর্থাৎ লাল চাঁদের দাদা সিভিক পুলিশ হুমায়ুন কবীরকে সঙ্গে নিয়ে অপহরণের ফাঁদ পেতেছিল। আসলে লাল চাঁদের সমস্ত সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়ে খুন করার পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তদের। সেই মতো সৎ দাদা হুমায়ুনকে ৬ লক্ষ টাকা দেয়। সেই টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ করে বাকি সাগরেদদের জোগাড় করে হুমায়ুন। তারপর পুলিশের একটি গাড়ি লুকিয়ে, সেটার আশেপাশে আরও স্টিকার লাগিয়ে ওই গাড়ি নিয়ে লাল চাঁদের বাড়ি হানা দেয় অভিযুক্তরা।

কীভাবে ধরা পড়ল?

কার্যত বাড়ি থেকে ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এদিকে লাল চাঁদের স্ত্রীয়ের সন্দেহ হওয়ায় থানায় গিয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করে। তখন পুলিশের কাছে আসে আসল সত্য। ঘটনার তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার সকালে রানাঘাটের আগেই অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। পরিকল্পনা ছিল কৃষ্ণনগর, বারাসাত হয়ে কলকাতায় যাওয়ার। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্তদের ধরে ফেলে লাল চাঁদ মণ্ডলকে উদ্ধার করে পুলিশ।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement