Dilip Ghosh: বাংলা সহ দেশজুড়ে বিজেপির ভরাডুবি, নির্বাচনের ফলের পর প্রথম মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

এ বার মেদিনীপুর ছেড়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। (Dilip Ghosh) কিন্তু প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে পরাস্ত হয়েছেন তিনি। আর এ বার হারের পর মুখ খুললেন তিনি।

বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (ছবিঃ X)

নয়াদিল্লিঃ দেশজুড়ে বিজেপির (BJP) ভরাডুবি। বাংলায় টার্গেট ছিল ৩০। তবে তার অর্ধেকও পার করতে পারেনি বিজেপি। নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) গ্যারান্টিতে নয়, বরং মমতা-অভিষেকেই ভরসা রেখেছে বাংলা। আর দেশজুড়ে ইন্ডিয়া  জোটের সামনে ধরাশায়ী নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি। এতদিন মেদিনীপুরের মাটি কামড়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে এ  বার মেদিনীপুর ছেড়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। (Dilip Ghosh) কিন্তু প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে পরাস্ত হয়েছেন তিনি। আর এ বার হারের পর মুখ খুললেন তিনি।

এই খবরটিও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গে দিদি ঝড়, উত্তরে ভোটব্য়াঙ্কে ধস বিজেপির, জানুন কোন আসনে কে জয়ী

হারের কারণ বিশ্লেষন করতে গিয়ে দিলীপ বলেন, "রাজনীতিতে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। নাইডু আর নিতীশ বাবুদের উপর ভরসা করা বোকামি। রাজনীতিতে বাধ্যবাধকতা থাকেই। ওঁরা বিজেপির সমর্থনে জয়ী হয়ে অন্য দলে যোগ দেন। আর মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপর বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে না।" সন্দেশখালির আন্দোলনের পরও বসিরহাটে বিজেপির এই হাল? প্রশ্নে দিলীপ বলেন, "সন্দেশখালির আন্দোলনটা রাজনৈতিক ছিল না। ওটা সাধারণ মানুষের আন্দোলন ছিল। পরে বিজেপি মানুষকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসে। আমরা ন্যায় দিতে চেষ্টা করেছি। এ বার ওখানকার মানুষ বুঝবে। ইতিমিধ্যেই সেখানে হামলা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভবিষ্যতেও হবে। এরপর ওই মহিলারা ওখানে থাকতে পারবেন কি না তাও দেখার। ওটা আমাদের গড় ছিল। তৃণমূল জমানাতেও ওখানে ভোট পেতাম আমরা। আরও ভাল ফল হবে আশা করেছিলাম। কিন্তু তা হয়নি।" শেষে আরও বলেন, "ভুল সিদ্ধান্ত ও ব্যক্তিগত রেষারেষির জন্য হাজার হাজার কর্মীর আত্মত্যাগ বিফলে গেল।"

দেখুন কী বলছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement