Elon Musk AI Predictions: বছর দেড়েকের মধ্যেই মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাকেও ছাপিয়ে যাবে AI! ইলন মাস্কের মন্তব্যে তোলপাড়
Elon Musk AI Predictions: আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে কোডিং এবং সফটওয়্যার তৈরির ক্ষেত্রে মানুষের সমস্ত ক্ষমতাকে পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।
Elon Musk AI Predictions: আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে কোডিং এবং সফটওয়্যার তৈরির ক্ষেত্রে মানুষের সমস্ত ক্ষমতাকে পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)। এমনটাই এক বিস্ফোরক ভবিষ্যদ্বাণী করলেন টেসলা ও এক্স-এরকর্ণধার ইলন মাস্ক। দুনিয়া ধনীতম ব্যক্তির দাবি, আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে এআই প্রযুক্তি এমন এক উচ্চতায় পৌঁছাবে, যেখানে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও তার সাথে টেক্কা দিতে পারবেন না।
মাস্কের সতর্কতা
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাস্ক সতর্ক করে বলেন, এআই ইতিমধ্যেই কোডিংয়ের ক্ষেত্রে অবিশ্বাস্য দক্ষতা অর্জন করেছে। আগামী বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তি কম্পিউটার দাবার বিখ্যাত ইঞ্জিন ‘স্টকফিশ’ (Stockfish)-এর স্তরে পৌঁছে যাবে। ঠিক যেভাবে দাবার বোর্ডে মানুষ বনাম কম্পিউটারের লড়াইয়ে ‘স্টকফিশ’-কে হারানো প্রায় অসম্ভব, তেমনই সফটওয়্যার তৈরির ক্ষেত্রেও কোনো মানুষের পক্ষে এআই-কে টেক্কা দেওয়া আর সম্ভব হবে না। ইলন মাস্কের মতে, কোডিং থেকে শুরু করে সমস্ত ধরনের ডিজিটাল এবং ফাইলভিত্তিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজে এআই অচিরেই অতিমানবীয় (Superhuman) ক্ষমতা প্রদর্শন করবে।
দেখুন কী বললেন মাস্ক
বড় ইঙ্গিত মাস্কের
মাস্ক ইঙ্গিত দেন, এই চরম অটোমেশনের যুগে সফটওয়্যার তৈরিতে মানুষের ভূমিকা গৌণ হয়ে যাবে। তখন বাজারে আসল বিরল সম্পদ বা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র কেবল একটিই থাকবে, কার নিয়ন্ত্রণে সেই মূল এআই মডেলের মালিকানা রয়েছে।
প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চরম আলোড়ন
মাস্কের এই ভবিষ্যদ্বাণী সামনে আসতেই বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চরম আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে, এআই হয়তো সাধারণ কাজগুলো প্রতিস্থাপন করবে কিন্তু জটিল এবং সৃজনশীল কোডিংয়ের জন্য মানুষের মস্তিষ্কের প্রয়োজন থেকেই যাবে। তবে মাস্ক সেই ধারণাকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়ে আইটি খাতের জন্য বড়সড় লাল সংকেত জারি করলেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই মন্তব্য শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, এআই-এর এই দ্রুত অগ্রগতি আইটি এবং সফটওয়্যার শিল্পে নিযুক্ত লক্ষ লক্ষ কোডার ও ইঞ্জিনিয়ারের কর্মসংস্থানকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেবে। আগামী দিনে মানুষের তৈরি কোডিংয়ের ভবিষ্যৎ ঠিক কোন দিকে এগোচ্ছে, এখন তা নিয়েই আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি মহলে জোর তরজা শুরু হয়েছে।