East Bengal Beat Mohun Bagan SG, Durand Cup QF 2025: দেড় বছর পর ডার্বির রং লাল-হলুদ, দিয়ামানতাকোসের জোড়া গোলে ডুরান্ডের সিমি ফাইনালে অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা

EB Into Durand Semi Final (Photo Credit: X@thedurandcup)

দেড় বছর পর ডার্বির রং লাল-হলুদ। এর আগে ২০২৪ সালের সুপার কাপে ডার্বি জিতেছিল লাল-হলুদ। এদিন যুবভারতীতে শেষ হাসি হাসল অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা।রবিবার কলকাতার বিবেকানন্দ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপ ২০২৫ কোয়ার্টার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইমামি ইস্টবেঙ্গল ।দিমিত্রি দিয়ামানতাকোসের জোড়া গোলে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে হোসে মোলিনার মোহনবাগানকে হারাল অস্কার ব্রুজোঁর ইস্টবেঙ্গল। ৯০ মিনিট জুড়ে যুবভারতী দাপাল লাল-হলুদই। ফিটনেস, মাঝমাঠ, আক্রমণ, রক্ষণ সবেতেই গতকালের ম্যাচে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। লাল হলুদের অচেনা তারকা

দিমিত্রিওস ডায়ামান্টাকোস জোড়া গোল করেন। অন্যদিকে মেরিনার্সের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অনিরুদ্ধ থাপা । দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ শতাংশ বল পজিশন নিয়েও মাঝমাঠের ব্যর্থতার জন্য জিততে পারল না মোহনবাগান।

ডুরান্ডের অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে চমকে দিল ডায়মন্ড হারবার এফসি। আইএসএলের দল জামশেদপুর এফসি’কে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছল কিবু ভিকুনার দল। আই লিগের দল হিসাবে প্রথমবার ডুরান্ড কাপ খেলতে এসেই শেষ চারে পৌঁছে গিয়েছে কলকাতার দলটি।রেড অ্যান্ড গোল্ড ব্রিগেড সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ডায়মন্ড হারবার এফসি-র।

রবিবার সল্টলেকে প্রথমার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল । বল পজেশনও ছিল লাল-হলুদেরই বেশি। সবথেকে বেশি আক্রমণ উঠছিল বিপিন সিংয়ের দিক থেকেই। আশিস রাইকে বারবার কাটিয়ে বল আছড়ে পড়ছিল মোহনবাগানের বক্সে। ম্যাচের দু' মিনিটের মাথাতেই গোল চলে আসতে পারত এডমুন্ডের, কিন্তু সেই শট আটকে দেন বিশাল কাইথ।হোমওয়ার্ক করে মাঠে নামা অস্কার রাকিপকে দিয়ে গোলের মধ্যে থাকা লিস্টনকে পুরো বোতলবন্দি করে রাখলেন, ডানদিকে তরুণ পাসাংকে আটকে রেখেছিলেন আনোয়ার।  ম্যাচের ১৫ মিনিটে বাঁ পায়ের কুঁচকিতে টান লেগে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় গোলের মধ্যে থাকা হামিদ আহদাদকে। সেই জায়গায় মাঠে আসেন দিয়ামানতাকোস। লাল হলুদের প্রথম গোল আসে সেই দিয়ামানতাকোসের পা থেকেই। ৩৬ মিনিটে বক্সের মধ্যে আশিস রাই ফেলে দেন বিপিন সিংকে। রেফারি ফাউল দিলে পেনাল্টি থেকে কোনও ভুল করেননি দিমি। বিশাল কাইথ ঠিক দিকে ঝাঁপালেও কাজ হয়নি। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আপুইয়া গোলে শট নিলেও বাঁচিয়ে দেন গিল।

দ্বিতীয়ার্ধে পাসাংয়ের জায়গায় নামেন জেসন কামিংস। মোহনবাগান সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। ডানদিক থেকে সাহাল বক্সের মধ্যে গোলে শট রাখেন। ফাঁকায় কামিংস দাঁড়িয়ে ছিলেন। পাস দিলে নিশ্চিত গোল হতো।ঠিক তারপরেই ৫২ মিনিটের মাথায় দিয়ামানতাকোস ২-০ করেন। মিগুয়েলের বাড়ানো বল ধরে মহেশ পাস বাড়ান দিয়ামানতাকোসকে। গোলে শট নেন দিমি। আলবার্তোর পায়ে লেগে মোহনবাগানের জালে বল জড়িয়ে যায়। ৫৮ মিনিটে গোললাইন সেভ করেন কেভিন সিবিয়ে। ৬৮ মিনিটের মাথায় লিস্টনের ফ্রি কিক পোস্টে লাগে। ঠিক তার পরেই লিস্টনেরই কর্নার থেকে ২-১ করেন থাপা। এরপর আক্রমণ প্রতি আক্রমণ হলেও খেলায় আর কোন গোল হয় না।

 

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement