Ranji Trophy 2019–20: ইডেনেই ঘায়েল কর্ণাটক, ১৩ বছরের খড়া কাটিয়ে রঞ্জি ফাইনালে বাংলা

১৩ বছরের খড়া কাটিয়ে স্বপ্ন সফল। কর্ণাটককে কুপোকাত করে রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy) ফাইনালে উঠল বাংলা। মুকেশ কুমার, ঈশান পোড়েলদের দাপটে সেমিফাইনালে ১৭৪ রানে জিতল অরুণলালের দল। মুকেশ একাই নিলেন ছ’টি উইকেট। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন চন্দননগরের ভূমিপুত্র ঈশান পোড়েল ও আকাশদীপ। বাংলা শেষবার রঞ্জির খেতাবি লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল ২০০৬-০৭ মরশুমে৷ ফাইনালে মুম্বইয়ের কাছে হারতে হয়েছিল সেইবার৷ মঙ্গলবার ইডেনে রঞ্জির সেমিফাইনালে কর্নাটককে ১৭৪ রানে হারাল বাংলা। মুকেশ কুমারের দাপটে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল কর্ণাটকের ব্যাটিং লাইনআপ। চতুর্থ ইনিংসে ৩৫২ রান তাড়া করতে হত কর্ণাটককে।

সেঞ্চুরি করে অনুষ্টুপ মজুমদার (Photo Credits: Twitter/@CABCricket)

কলকাতা, ৩ মার্চ: ১৩ বছরের খড়া কাটিয়ে স্বপ্ন সফল। কর্ণাটককে কুপোকাত করে রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy) ফাইনালে উঠল বাংলা। মুকেশ কুমার, ঈশান পোড়েলদের দাপটে সেমিফাইনালে ১৭৪ রানে জিতল অরুণলালের দল। মুকেশ একাই নিলেন ছ’টি উইকেট। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন চন্দননগরের ভূমিপুত্র ঈশান পোড়েল ও আকাশদীপ। বাংলা শেষবার রঞ্জির খেতাবি লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল ২০০৬-০৭ মরশুমে৷ ফাইনালে মুম্বইয়ের কাছে হারতে হয়েছিল সেইবার৷ মঙ্গলবার ইডেনে রঞ্জির সেমিফাইনালে কর্নাটককে ১৭৪ রানে হারাল বাংলা। মুকেশ কুমারের দাপটে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল কর্ণাটকের ব্যাটিং লাইনআপ। চতুর্থ ইনিংসে ৩৫২ রান তাড়া করতে হত কর্ণাটককে।

রবিবার তৃতীয় দিনের শেষে ৩ উইকেটে ৯৮ তুলেছিল দক্ষিনের এই রাজ্যটি। দরকার ছিল আরও ২৫৪ রানের। বাংলা শিবির চেয়েছিল মঙ্গলবার সকালেই সপাটে ধাক্কা দিতে। সকালের দিকে শিশিরকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন অরুণলাল। আর সেটাই হল। কর্ণাটকের জয়ের জন্য টার্গেট দাঁড়ায় ৩৫২। কিন্তু প্রথম ওভারেই ধাক্কা দেন সেই ঈশান পোড়েল। লোকেশ রাহুলকে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে পাঠান তিনি। অন্য ওপেনার সমর্থ করেন ২৭। অধিনায়ক করুণ নায়ার ৬ করে আউট হন। কিন্তু এর মধ্যেই দলকে টানতে থাকেন তরুণ দেবদত্ত পাল্লিকাল। হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত কর্ণাটকের রান ৩ উইকেটে ৯৮ ছিল। দেবদত্ত ৫০ ও মনীশ পাণ্ডে ১১ রানে ক্রিজে ছিলেন। কিন্তু এদিন সকালেই ভেলকি দেখান মুকেশ। আরও পড়ুন-Parliament Security On Alert: ভুল করে বুম ব্যারিয়ারে ধাক্কা, সংসদ চত্বরে ফাঁসল বিজেপি নেতার গাড়ির চাকা (দেখুন ভিডিও)

তৃতীয় দিন খেলা যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকে কর্নাটকের পক্ষে ম্যাচ বের করা অত্যন্ত চাপের ছিল। কারণ মাত্র সাত উইকেট হাতে নিয়ে নেমে চতুর্থ দিনের সকালটা লড়তে হত তাদের। আর এখানেই কেল্লাফতে করল বাংলা। মুকেশ কুমারের দাপটে ভেঙে পড়ল কর্নাটক। এই দিন সকালে প্রথমেই মণীশ পান্ডে (১২)-কে ফেরান মুকেশ। মণীশের ক্যাচ নেন শ্রীবৎস গোস্বামী। মুকেশ এর পর নেন সিদ্ধার্থ (০)-র উইকেট। তার পরের বলেই ফেরান শরথ (০)-কে। ১০৩ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় কর্নাটকের।

 

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement