Delhi Police: দিল্লিতে বাংলা বলা মহিলাকে পুলিশের নিগ্রহ নিয়ে মমতার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে ওড়ালেন রাজধানী শহরের ডিএসপি
দিল্লিতে বাংলা এক মহিলা ও শিশুকে নিগ্রহ-হেনস্থা করেছে সেখানকার পুলিশ। সামাজিক মাধ্যমে এক্স-এ এমন অভিযোগই করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতার এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ি দিলেন পূর্ব দিল্লির ডিএসপি অভিষেক ধানিয়া।
Delhi Police: দিল্লিতে মালদহের বাসিন্দা এক মহিলা ও তার শিশু সন্তানকে নিগ্রহ-হেনস্থা করেছে সেখানকার পুলিশ। সামাজিক মাধ্যমে এক্স-এ এমন অভিযোগই করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতার এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ি দিলেন পূর্ব দিল্লির ডিএসপি অভিষেক ধানিয়া। দিল্লি পুলিশের এই শীর্ষ কর্তা বললেন, " সামাজিক মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ শুনে আমরা তদন্ত শুরু করি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, বাংলা বলা এক মহিলা ও তার সন্তানকে হেনস্থা করে দিল্লি পুলিশ। আমরা সেই মহিলার কাছে পুরো ঘটনা ও অভিযোগ জানতে যাই। ওই মহিলার নাম সানজানু পরভিন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, দিল্লি পুলিসের চারজন কর্মী সাধারণ পোশাকে তাদের শারীরিক নিগ্রহ করে এবং ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। অভিযোগটির গুরুত্ব বিচার করে আমরা সিসিটিভি ফুটেজ, স্থানীয় ইন্টিলিজেন্সের সহায়তা নিই। এরপর পুরো বিষয়টা পরিষ্কার হয়। সেই মহিলা জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেন, পুরো ঘটনাই সাজানো। তাঁর এক মহিলা পশ্চিমবঙ্গের মালদায় থাকে। তিনি একজন রাজনৈতিক কর্মী। তাঁর অনুরোধেই দিল্লিতে থাকা সেই মহিলা ভিত্তিহীন ভিডিওটি করে। ইচ্ছাকৃতভাবে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয় যাতে দিল্লি পুলিশের বদনাম হয়। এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।"
দেখুন দিল্লি পুলিশ কর্তার দাবি, ভিডিও
(সোশ্যাল মিডিয়া আপনার জন্য সাম্প্রতিক ব্রেকিং নিউজ, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব সহ সোশ্যাল মিডিয়ার জগতের ভাইরাল খবর নিয়ে আসে। উপরের পোস্টটি সরাসরি ব্যবহারকারীর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে এমবেড করা হয়েছে। এই বিষয়বস্তুর অংশটি সম্পাদনা করা হয়নি বা হতে পারে না সাম্প্রতিক কর্মীদের দ্বারা সম্পাদিত মতামতগুলি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলিতে উপস্থিত হয় এবং তথ্যগুলি সর্বশেষের মতামতকে প্রতিফলিত করে না এবং সর্বশেষে এর জন্য কোনও দায়বদ্ধতা নেই৷)