Underwater Breath-Hold Record: টানা ২৯ মিনিট নিঃশ্বাস না নিয়ে জলের নিচে থেকে বিশ্বরেকর্ড ক্রোট ডাইভার মারিচিচের
অনন্য কীর্তি। ক্রোয়েশিয়ার ফ্রি-ডাইভার ভিটোমির মারিচিচ জলের নিচে নিঃশ্বাস আটকে থাকার সর্বোচ্চ সময়ের বিশ্বরেকর্ড গড়বেন। অবিশ্বাস্যভাবে টানা ২৯ মিনিট নিঃশ্বাস না নিয়ে জলের নিচে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সুইমিং পুলে ক্রোট ডাইভার মারিচিচের এই রেকর্ড গড়া প্রচেষ্টা অনুষ্ঠিত হয়।
Underwater Breath-Hold Record: অনন্য কীর্তি। ক্রোয়েশিয়ার ফ্রি-ডাইভার ভিটোমির মারিচিচ (Vitomir Maricic) জলের নিচে নিঃশ্বাস আটকে থাকার সবচেয়ে বেশিক্ষণ সময়ের বিশ্বরেকর্ড গড়লেন। অবিশ্বাস্যভাবে টানা ২৯ মিনিট নিঃশ্বাস না নিয়ে জলের নিচে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সুইমিং পুলে ক্রোট ডাইভার মারিচিচের এই রেকর্ড গড়া প্রচেষ্টা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক ফ্রি-ডাইভিং সংস্থা AIDA-র অফিসিয়াল বিচারকরা সেকেন্ড-নির্ভুল সময় যাচাই করে জানাই আগের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে নতুন নজির তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে আগের রেকর্ডটা ছিল ২০২৩ সালে এক তারকা ফ্রি-ডাইভারের করা ২৪ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড। সেই তুলনায় মারিচিচের সাফল্য এক লাফে বহু দূর এগিয়ে গিয়েছে। ৪০ বছর বয়সী মারিচিচ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে স্ট্যাটিক অ্যাপনিয়া (স্থির অবস্থায় শ্বাসধারণ) অনুশীলন করছেন। মানসিক মনোযোগ, ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ানোর অনুশীলন এবং কার্বন ডাই অক্সাইড সহনশীলতা বাড়ানোর ট্রেনিং, সবই তাঁর প্রস্তুতির অংশ।
মারিচিচ জলের নিচে ২৯ মিনিট থেকে আগের বিশ্বরেকর্ডকে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে ছাড়িয়ে গেছেন। এই সাফল্য মানবদেহের সহনশীলতার চরম সীমাকে সামনে নিয়ে আসে। ডাইভ চলাকালীন তিনি শত শত অনৈচ্ছিক পেশি-সঙ্কোচন (ডায়াফ্রাম স্পাজম) অনুভব করেন, যা নিঃশ্বাস নেওয়ার স্বাভাবিক প্রবৃত্তিকে প্রতিহত করে। তবুও তিনি পুরোটা সময় স্থিরতা বজায় রাখেন। ডাইভের আগে টানা ১০ মিনিট তিনি খাঁটি অক্সিজেন গ্রহণ করেন, যার ফলে রক্ত ও টিস্যুতে অতিরিক্ত অক্সিজেন সঞ্চিত হয়। এই কৌশলটিকে ‘অক্সিজেন প্যাকিং’ বা ‘প্রী-ব্রিদিং’ বলা হয়।
দেখুন বিশ্বরেকর্ডের ভিডিও
ডাইভ চলাকালীন চিকিৎসকরা রিয়েল-টাইমে তার গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় পরিমাপ পর্যবেক্ষণ করেন। নিরাপত্তার জন্য একাধিক ডাইভারও প্রস্তুত ছিলেন। তিনি জলের ওপর উঠে সঙ্গে সঙ্গে 'OK' সংকেত দিয়ে নিজের সুস্থতার নিশ্চিত করেন। AIDA এই রেকর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে। পুরো প্রক্রিয়ায় ভিডিও প্রমাণ ও অ্যান্টি-ডোপিং প্রোটোকল কড়াকড়িভাবে অনুসরণ করা হয়। মারিচিচ তার এই রেকর্ড উৎসর্গ করেছেন ফ্রি-ডাইভিং নিরাপত্তা সচেতনতা এবং মানসিক দৃঢ়তার প্রচারে। তার এই কীর্তি বিশ্বজুড়ে অ্যাথলেটদের অনুপ্রাণিত করছে এবং মানব সহনশীলতার সীমা নতুনভাবে চিনিয়ে দিচ্ছে।