Anu Rani: সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর ভিডিও ও কিউআর কোড! বরখাস্ত মিরাটের মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর অনু রানী
সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কন্টেন্ট পোস্ট করা এবং লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন নিজের কিউআর (QR) কোড প্রদর্শন করার অভিযোগে উত্তর প্রদেশ পুলিশের মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর (SI) অনু রানীকে সাময়িক বরখাস্ত (Suspend) করা হলো।
Anu Rani সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কন্টেন্ট পোস্ট করা এবং লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন নিজের কিউআর (QR) কোড প্রদর্শন করার অভিযোগে উত্তর প্রদেশ পুলিশের মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর (SI) অনু রানীকে সাময়িক বরখাস্ত (Suspend) করা হলো। উত্তর প্রদেশ পুলিশের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের কঠোর নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অপরাধে মিরাটের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (SSP) অবিনাশ পাণ্ডে এই বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
অনলাইন লাইভ ও ভাইরাল বিতর্ক
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সাব-ইন্সপেক্টর অনুর অনলাইন কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যা দ্রুত নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। অভিযোগে জানা গেছে, অনু রানী নিজের ফিটনেস টিপস, জীবনযাত্রার ভ্লগ এবং জিম রুটিনের ভিডিও নিয়মিত শেয়ার করতেন এবং নিজেকে উত্তর প্রদেশ পুলিশের আধিকারিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে বিতর্ক তৈরি হয় যখন দেখা যায়, লাইভ সেশন চলাকালীন তিনি একটি ব্যক্তিগত কিউআর কোড স্ক্রিনে প্রদর্শন করছেন। পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভাইরাল হওয়া কোনো ভিডিওতেই ওই আধিকারিক ইউনিফর্ম পরিহিত ছিলেন না, তবুও পুলিশের পদমর্যাদা ব্যবহার করে এ জাতীয় অর্থ উপার্জন বা নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা বিভাগীয় নিয়মবিরুদ্ধ।
দেখুন খবরটি
সাইবার সেল ও বিভাগীয় তদন্ত শুরু
পুরো বিষয়টি তদন্তের জন্য দ্বিমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ প্রশাসন। ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করতে এবং তা কোনোভাবে এডিট বা বিকৃত করা হয়েছে কিনা তা জানতে সাইবার সেলকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক ঘটনার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সার্কেল অফিসার সৌমি সিংকে। এসপি (ক্রাইম) অবনীশ কুমার জানিয়েছেন, ডিজিটাল মাধ্যমে পেশাগত আচরণবিধি ভঙ্গ করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাইমলাইটে থাকা অফিসার ও অ্যাকাউন্ট ডিলিট
২০২৩ ব্যাচের এই সাব-ইন্সপেক্টর ইতিপূর্বে মিরাট পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন এবং মিরাটের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে যুক্ত থেকে আগে সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন। তবে বিতর্ক বাড়তেই এবং বিভাগীয় পদক্ষেপের মুখে পড়ে তিনি তাঁর সমস্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছেন (Delete)।