Surabhi Reddy Viral Video: ইউটিউবার সুরভি রেড্ডির বিতর্কিত ভিডিওটি কি আসল না ভুয়ো? মুখ খুললেন প্রাক্তন সঙ্গী তেজু
সোশ্যাল মিডিয়া এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে কন্নড় ইউটিউবার সুরভি রেড্ডির একটি বিতর্কিত আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। ভিডিওটি ইন্টারনেটে ভাইরাল হতেই এটি নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়।
Surabhi Reddy Viral Video: সোশ্যাল মিডিয়া এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে কন্নড় ইউটিউবার সুরভি রেড্ডির একটি বিতর্কিত আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। ভিডিওটি ইন্টারনেটে ভাইরাল হতেই এটি নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়। তবে সুরভির প্রাক্তন কনটেন্ট ক্রিয়েটর সঙ্গী তেজু এক প্রকাশ্য বার্তায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই ভাইরাল ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং এডিটেড।
সুরভি রেড্ডি এবং তেজু জুটি বেশ জনপ্রিয়
সুরভি রেড্ডি এবং তেজু জুটি হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় যথেষ্ট পরিচিত। 'সুরভি রেড্ডি ব্লগস' এবং 'তেজু ব্লগস'-এর মতো চ্যানেলে নিয়মিত যুগল-কেন্দ্রিক ভিডিও ও শর্টস বানিয়ে দক্ষিণ ভারতীয় দর্শকদের মাঝে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন তাঁরা। তবে ২০২৬ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে সুরভি এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তেজুর সঙ্গে তাঁর প্রায় দুই বছরের সম্পর্কের ইতি টানার ঘোষণা দেন।
দেখুন ভি়ডিও
ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তেজুর বক্তব্য:
বিতর্কিত এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তেজু 'ক্লারিটি অ্যাবাউট সুরভি ফেক ভিডিও' শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ এডিটেড বা ‘ফেস-মর্ফড’ (অন্য কারও শরীরে মুখ বসানো) করে তৈরি করা হয়েছে। টেলিগ্রামের কিছু চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোল পেজ কেবল ভিউ এবং অর্থ উপার্জনের জন্য এই কাজ করেছে। এই ধরনের আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়ানোর বিরুদ্ধে তিনি ইতিমধ্যেই একাধিক সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ জানিয়েছেন।
অতীতের সমস্ত ব্যক্তিগত দূরত্ব ভুলে একজন বন্ধু হিসেবে তিনি সুরভির পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দর্শকদের কাছে এই ভুয়ো ভিডিও শেয়ার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ভিডিওর সত্যতা কতটুকু?
অনলাইন অনুসন্ধানে উক্ত ভিডিওটি সুরভি রেড্ডির হওয়ার পক্ষে কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ বা সত্যতা পাওয়া যায়নি। তেজুর এই প্রকাশ্য বয়ানই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া। সুরভি নিজে সরাসরি এই ভুয়ো ভিডিও নিয়ে নতুন করে কোনও মন্তব্য করেননি।
সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার ও তারকাদের টার্গেট করার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বন্ধ টেলিগ্রাম গ্রুপ এবং ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া পেজে এ ধরনের কনটেন্ট ছড়ানো গুরুতর অপরাধ। বর্তমানে পুলিশ ও সাইবার সেল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দর্শকদের কাছেও অনুরোধ জানানো হচ্ছে, যেন এই ধরনের ভুয়ো ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকেন।