Pinay Workers S*x Acts Video MMS: সৌদি আরবে নাবালকের সাথে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দুই পরিচারিকার বিরুদ্ধে; ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল

সৌদি আরবে দুই ফিলিপিনো প্রবাসী কর্মীর বিরুদ্ধে এক নাবালকের সাথে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

Viral ofwসৌদি আরবে এক নাবালকের সঙ্গে যৌন হেনস্থামূলক আচরণ এবং সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি প্রচার করার অভিযোগে দুই ফিলিপিনো নারী কর্মীকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্তরা পেশায় পরিচারিকা এবং তারা সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ইন্টারনেটে তাদের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সৌদি জননিরাপত্তা বিভাগ (Public Security) দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত অভিবাসী কর্মী এবং শিশু সুরক্ষা আইন নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অভিযোগ

সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই নারী তাদের মালিকের নাবালক সন্তানের সঙ্গে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি এবং যৌনতামূলক আচরণ করছিলেন। এই পুরো ঘটনাটি তারা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লাইভ স্ট্রিম বা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে প্রচার করেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়লে স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে যে, তারা শিশুটির বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাকে হেনস্থা করেছেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষের আইনি পদক্ষেপ

ভিডিওটি নজরে আসার পরই সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী তদন্তে নামে। অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করার পর তাদের রিয়াদ থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, শিশুদের সুরক্ষা এবং সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর। পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

শিশু সুরক্ষা ও সামাজিক উদ্বেগ

এই ঘটনাটি সামনে আসার পর গৃহকর্মী বা পরিচারিকাদের হাতে সন্তানদের রেখে যাওয়ার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক অভিভাবক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এবং নৈতিক অবক্ষয় এই ধরনের অপরাধের পেছনে অন্যতম কারণ। সৌদি আরবে শিশু সুরক্ষা আইন (Child Protection Law) লঙ্ঘন করলে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড এবং বড় অঙ্কের জরিমানার বিধান রয়েছে।

ফিলিপিনো দূতাবাস এই বিষয়ে নজর রাখছে এবং অভিযুক্তদের আইনি সহায়তা বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, দেশের আইন ও সামাজিক মূল্যবোধ লঙ্ঘনকারী যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে মামলাটি আদালতের অধীনে রয়েছে এবং চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement