BJP MLA Daughter Slaps Police: মন্দিরে মহিলা পুলিশকে চড় বিজেপি বিধায়কের মেয়ের! তুমুল বিতর্ক কর্ণাটকে
মন্দিরে সরাসরি প্রবেশ এবং লাইন ডিঙিয়ে পুজো দেওয়ার চেষ্টা কেন্দ্র করে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে কর্ণাটকে। টুমকুর গ্রামীণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক বি সুরেশ গৌড়ার মেয়ে ঐশ্বর্যের বিরুদ্ধে মন্দিরের ভেতরেই কর্তব্যরত এক মহিলা পুলিশ সাব-ইনস্পেক্টরকে শারীরিকভাবে প্রহার এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
BJP MLA Daughter Slaps Police: মন্দিরে সরাসরি প্রবেশ এবং লাইন ডিঙিয়ে পুজো দেওয়ার চেষ্টা কেন্দ্র করে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে কর্ণাটকে। টুমকুর গ্রামীণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক বি সুরেশ গৌড়ার মেয়ে ঐশ্বর্যের বিরুদ্ধে মন্দিরের ভেতরেই কর্তব্যরত এক মহিলা পুলিশ সাব-ইনস্পেক্টরকে শারীরিকভাবে প্রহার এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সিসিটিভি ফুটেজে সম্পূর্ণ ঘটনাটি সামনে আসার পর আইনশৃঙ্খলার এই অবনতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ঠিক কী ঘটেছিল
ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের মান্ডিয়া জেলার শ্রীরঙ্গপটনা তালুকের আরতি উক্কাড়া মন্দিরে। ভীম অমাবস্যা উপলক্ষ্যে মন্দিরে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়েছিল এবং ভিড় সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন মান্ডিয়া মহিলা থানার সাব-ইনস্পেক্টর সবিতা বি পাতিল। সেই সময় বিধায়কের মেয়ে ঐশ্বর্য দুই সন্তানকে নিয়ে সরাসরি গর্ভগৃহে প্রবেশের দাবি জানান। লাইনে অপেক্ষারত অন্যান্য পুণ্যার্থীদের অসন্তোষ এড়াতে মহিলা সাব-ইনস্পেক্টর তাঁকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে দুজনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঐশ্বর্য কারো সঙ্গে ফোনে কথা বলতে বলতেই হঠাৎ কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে সজোরে চড় মেরে বসেন।
দেখুন ভিডিও
থানায় অভিযোগ দায়ের
এই ঘটনার পর সাব-ইনস্পেক্টর সবিতা পাতিলের অভিযোগের ভিত্তিতে কিয়াথানাহাল্লি থানায় ঐশ্বর্যের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) বিভিন্ন ধারায় এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দান, সরকারি কর্মচারীকে প্রহার, অপমান ও হুমকির অভিযোগে মামলা যুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে ঐশ্বর্যের তরফ থেকেও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যেখানে সাব-ইনস্পেক্টরের বিরুদ্ধে গালাগালি করার দাবি তোলা হয়েছে।
ভিডিও ভাইরাল
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি বিধায়ক বি সুরেশ গৌড়া। তিনি মেয়ের এই আচরণের জন্য জনসমক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের আরও সংযত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করার পাশাপাশি তিনি ধর্মীয় স্থানগুলিতে সবরকম 'ভিআইপি প্রোটোকল' (VIP Culture) বন্ধ করার পক্ষেও সওয়াল করেন, যাতে সাধারণ পুণ্যার্থী ও নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে এরকম কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়। আপাতত পুলিশ উভয় পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।