Elyse Hoffenberg Kiss Video: চুম্বন বিতর্কে উত্তাল , বিরোধী রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ এলিস হফেনবার্গের
আমেরিকার ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা। বুক কাউন্টি কমিশনার (Cook County Commissioner) পদের ডেমোক্রেটিক প্রার্থী তথা লায়ন্স টাউনশিপের ক্লার্ক এলিস হফেনবার্গ (Elyse Hoffenberg) একটি বিতর্কিত সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসে।
Elyse Hoffenberg Kiss Video: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা। বুক কাউন্টি কমিশনার (Cook County Commissioner) পদের ডেমোক্রেটিক প্রার্থী তথা লায়ন্স টাউনশিপের ক্লার্ক এলিস হফেনবার্গ (Elyse Hoffenberg) একটি বিতর্কিত সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। প্রকাশিত ভিডিওটিতে ব্রিজভিউয়ের মেয়র স্টিভেন ল্যান্ডেককে (Steven Landek) তার ঠোঁটে চুমু খেতে দেখা গেছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে তোলা সমস্ত রাজনৈতিক চাপ ও জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেলিং ও তোলাবাজির (Extortion) বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন হফেনবার্গ।
ভিডিও নিয়ে হফেনবার্গের সাফাই: 'শুধুই হালকা ছন্দের সৌজন্যতা
ভিডিওটি নিয়ে বিতর্ক ছড়াতেই হফেনবার্গ এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেন যে, মেয়রের সঙ্গে তাঁর এই মুহূর্তটি ছিল একেবারেই "হালকা ছন্দের, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কোনো রোমান্টিক উদ্দেশ্যে নয়" (non-romantic)। সহকর্মীদের মধ্যে এটি এক ধরনের সাধারণ সৌজন্যমূলক আচরণ ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
যদিও পরবর্তীতে অপর এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই ধরনের আচরণকে সরকারি দপ্তরে "অনুপযুক্ত এবং পেশাদারিত্বহীন" (inappropriate and unprofessional) বলেও স্বীকার করে নেন। হফেনবার্গ বিবাহিত এবং তাঁর স্বামী জেফ হফেনবার্গ শিকাগোর এক প্রতিষ্ঠিত আইনসংস্থার অংশীদার।
দেখুন ভাইরাল ভিডিও
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ
এলিস হফেনবার্গের মূল অভিযোগ তাঁর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে। তিনি জানান, ভিডিওটি ফাঁস করার হুমকি দিয়ে তাঁকে কুক কাউন্টি কমিশনার প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাঁর কথায়, "আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এই ভিডিওকে হাতিয়ার করে আমাকে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেছিল। তারা জানিয়েছিল, আমি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ালেই এই হুমকি তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু এই ধরনের পুরনো মানসিকতার নোংরা রাজনীতি ও হুমকিতে আমি ভয় পাব না"।
অভিযোগ অস্বীকার প্রতিপক্ষের
হফেনবার্গ সরাসরি তাঁর রিপাবলিকান প্রতিপক্ষ লিজ গরম্যান (Liz Gorman) এবং লায়ন্স টাউনশিপের সুপারভাইজার ক্রিস গেটিকে (Chris Getty) এই ঘটনার নেপথ্যে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। তবে লিজ গরম্যান এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। এক বিবৃতিতে গরম্যান জানান, তিনি কোনো দিনই হফেনবার্গ বা তাঁর দলের কারও সঙ্গে ভিডিও আদান-প্রদান বা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। ভোটের মুখে এই ভিডিও ফাঁস এবং তোলাবাজির অভিযোগে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দৃশ্যমান মেয়র ল্যান্ডেক বা অভিযুক্ত ক্রিস গেটির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশ্যে আসেনি।