যক্ষ্মা আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে ভারত! তবে বিগত বছরে যক্ষ্মা আক্রান্তের হার কমেছে বিশ্ব জুড়ে, বলছে WHO

বিশ্বে মৃত্যুর নিরিখে প্রথম ১০ অসুখের মধ্যে রয়েছে যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis)। গোটা বিশ্বে প্রায় এক কোটি মানুষ যক্ষ্মায় ভুগছেন, বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) সাম্প্রতিক রিপোর্ট। ২০১৮ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা পৃথিবীর মধ্যে যক্ষ্মা আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে অবস্থান করছে ভারত (India)। হিসেব বলছে, বিগত রিপোর্টের তুলনায় বিশ্বে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কমেছে ১ লক্ষ। দুনিয়ার মোট যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ২৭ শতাংশের বাস ভারতে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Tuberculosis (Photo Credits: Wikimedia Commons)

নতুন দিল্লি, ১৯ অক্টোবর: বিশ্বে মৃত্যুর নিরিখে প্রথম ১০ অসুখের মধ্যে রয়েছে যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis)। গোটা বিশ্বে প্রায় এক কোটি মানুষ যক্ষ্মায় ভুগছেন, বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation) সাম্প্রতিক রিপোর্ট। ২০১৮ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা পৃথিবীর মধ্যে যক্ষ্মা আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে অবস্থান করছে ভারত (India)। হিসেব বলছে, বিগত রিপোর্টের তুলনায় বিশ্বে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কমেছে ১ লক্ষ। দুনিয়ার মোট যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ২৭ শতাংশের বাস ভারতে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীন (Chaina)। তিনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (Indonesia)। চারে আছে ফিলিপিন্স (Philippines)। পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। ছয়ে আছে নাইজেরিয়া (Nizeria)। বিশ্বের নিরিখে ৬ শতাংশ যক্ষ্মা আক্রান্ত রয়েছে পাকিস্তানে। বাংলাদেশ (Bangladesh) রয়েছে সাতে (৬%)। আটে দক্ষিণ আফ্রিকা (৩ শতাংশ) (South Africa)। হু-এর এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বের মোট যক্ষ্মা রোগীর দুই তৃতীয়াংশই রয়েছে উল্লিখিত আটটি দেশে। ২০১৭ সালে গোটা বিশ্বে ১৬ লক্ষ মানুষ যক্ষ্মায় মারা গিয়েছেন। ২০১৮ সালে যক্ষ্মায় মৃত্যু কমে হয়েছে ১৫ লক্ষ। আরও পড়ুন: ডেঙ্গু ত্রাসে কাঁপছে দুনিয়া, সতর্ক থাকতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

নরেন্দ্র মোদি সরকারের লক্ষ্য, ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতকে যক্ষ্মামুক্ত করা। শেষ তিন বছরে যক্ষ্মার চিকিত্‍‌সায় বরাদ্দও বিপুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যেখানে ৬৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়ে ছিল। সেখানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ২,৮৪০ কোটি টাকা। হু-র রিপোর্টে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর একটাই। তা হল বিগত এক বছরে যক্ষ্মা আক্রান্তের হার কমেছে। ২০১৭ সালে যেখানে নথিভুক্ত যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা ছিল ২৭.৪ লক্ষ, সেখানে ২০১৮ সালে তা নেমে এসেছে ২৬.৯ লক্ষে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement