Heart Attack Symptoms: মহিলা ও পুরুষদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ পার্থক্যগুলি, জেনে রাখলে বাঁচবে জীবন
মহিলাদের হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ অনেক সময় অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে। বুকের ব্যথা না-ও থাকতে পারে। পরিবর্তে দেখা দিতে পারে বুকের নিচের অংশ বা পেটের উপরের দিকে ব্যথা বা চাপ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হজমে গোলমাল, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা শ্বাসকষ্ট।
Heart Attack Symptoms: বিশ্বজুড়ে হার্ট অ্যাটাক এখনও অন্যতম বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সঠিক সময়ে উপসর্গ চিহ্নিত করা গেলে জীবন বাঁচানো যেতে পারে। তাই হার্ট অ্যাটাকের যদিও বুকের ব্যথা মহিলা-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ, গবেষণা বলছে, বিশেষত পুরুষ ও মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের সতর্কবার্তা ভিন্ন রকম হয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন জানাচ্ছে, এই পার্থক্য বোঝা জরুরি, কারণ তাতেই চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয় সঠিক সময়ে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে উপসর্গ
পুরুষদের হার্ট অ্যাটাকের সময় সাধারণত বুক চেপে ধরা বা চাপ অনুভব হয়। এর সঙ্গে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বমি, চোয়াল, ঘাড় বা পিঠে ব্যথা। শ্বাসকষ্টও খুব সাধারণ লক্ষণ, যা হার্ট ঠিকভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারার সংকেত। এ ধরনের উপসর্গ সাধারণত হঠাৎ ও তীব্রভাবে দেখা দেয়, ফলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
দেখুন ছবিতে
মহিলাদের ক্ষেত্রে উপসর্গ
মহিলাদের হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ অনেক সময় অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে। বুকের ব্যথা না-ও থাকতে পারে। পরিবর্তে দেখা দিতে পারে বুকের নিচের অংশ বা পেটের উপরের দিকে ব্যথা বা চাপ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হজমে গোলমাল, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা শ্বাসকষ্ট। প্রায়ই এই উপসর্গগুলোকে সাধারণ গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বা মানসিক চাপ ভেবে অবহেলা করা হয়। কিন্তু বিশেষত ৫০ বছরের বেশি বয়সি নারী বা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ থাকা মহিলাদের ক্ষেত্রে এগুলো হার্ট অ্যাটাকের সংকেত হতে পারে।
সতর্কতার বার্তা
২০১৯ সালে Circulation জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, মহিলারা প্রায়ই দেরিতে ডায়াগনোসিস পান, যার ফলে মৃত্যুহার বাড়ে। তাই মার্কিন হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের “Go Red for Women” ক্যাম্পেইন জোর দিচ্ছে নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে। যদি এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়, বিশেষত বারবার বা তীব্রভাবে সেগুলি হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে। উপসর্গগুলো মহিলা-পুরুষদের ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে, তাই সতর্ক থাকাই একমাত্র উপায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু হলে বাঁচার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে।