Ways to Prevent a Heart Attack: বাড়িতে একা? আচমকাই বুক ধড়ফড়? চোখে অন্ধকার দেখছেন? হার্ট অ্যাটাকের ধাক্কা সামলাবেন কী ভাবে জেনে নিন

আচমকাই বুক ধড়ফড় করলে বা চোখে অন্ধকার দেখলে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে।‌ তাই সচেতন থাকুন। জেনে নিন কিভাবে এই ধাক্কা সামলাবেন।

বাড়িতে একা? আচমকাই বুক ধড়ফড়? চোখে অন্ধকার দেখছেন? হার্ট অ্যাটাকের ধাক্কা সামলাবেন কী ভাবে জেনে নিন

আপনি বাড়িতে একা আছেন। হঠাৎ বুক ধড়ফড় করতে শুরু করল, ঘাম হচ্ছে, বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভব করছেন। এমনকি চোখেও অন্ধকার দেখছেন। এটি হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত এবং সচেতনভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলে নিজের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।

প্রথমেই নিজেকে শান্ত রাখুন। আতঙ্ক আরও ক্ষতি করতে পারে, তাই ধীরে গভীরভাবে শ্বাস নিন। চেষ্টা করুন ঠান্ডা মাথায় ভাবতে।

এরপর তৎক্ষণাৎ  জরুরি পরিষেবা ফোন করুন বা কোনো অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসে যোগাযোগ করুন। ফোন করার শক্তি না থাকলে পরিবারের সদস্য বা পরিচিত কারো ফোনে কল করে অবস্থা জানান।

চিউ করা অ্যাসপিরিন থাকলে একটিকে চিবিয়ে খান (সাধারণত 300mg)। এটি রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে এবং হার্ট অ্যাটাকের সময় প্রাণ বাঁচাতে সহায়তা করে। তবে আগে থেকে যদি আপনার অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি থাকে, তা হলে খাওয়া যাবে না চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া।

ছোট ছোট কাশি ও গভীর শ্বাস নিতে থাকুন। কয়েক সেকেন্ড অন্তর জোরে কাশি করার চেষ্টা করুন। এই প্রক্রিয়ায় হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা হয়। যদিও এটি প্রমাণিত চিকিৎসা নয়, তবুও কিছু বিশেষজ্ঞ এটি জরুরি অবস্থায় সুপারিশ করেন।

কোনোভাবেই শুয়ে পড়বেন না, বরং সোজা হয়ে বসে থাকুন অথবা পিঠ টিকিয়ে আধশোয়া ভঙ্গিতে থাকুন। এতে হার্টে চাপ কিছুটা কমে এবং রক্তচাপ স্থিতিশীল থাকে।

যদি হাতের কাছে মোবাইল না থাকে বা কাউকে ফোন করা সম্ভব না হয়, জোরে চিৎকার করে পাশের প্রতিবেশীর সাহায্য চাওয়ার চেষ্টা করুন। জানালা বা দরজা খুলে রাখুন যেন কেউ আপনার অবস্থা দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আগে থেকেই সচেতনতা। যদি আপনি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা হার্টের রোগে আক্রান্ত হন, তবে প্রাথমিক চিকিৎসার কিট ও জরুরি নম্বর হাতের কাছে রাখুন। এছাড়া ECG রিপোর্ট, প্রেসক্রিপশন, ওষুধের তালিকা একটি ফোল্ডারে রাখলে জরুরি সময়ে উপকারে আসবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিছু জরুরি ওষুধ হাতের কাছে রেখে দিন।

জীবন সংকটময় মুহূর্তে উপস্থিত বুদ্ধি, শান্ত মন ও সময়মতো নেওয়া সিদ্ধান্তই আপনাকে রক্ষা করতে পারে। হার্ট অ্যাটাক যেমন হঠাৎ আসে, তেমন সচেতনতা থাকলে তাকে সামলানোও সম্ভব। হালকা পরিমিত খাবার এবং নিয়ম করে খাবার খান। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা করুন. শরীর সুস্থ থাকবে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement