Mythology of Hanuman Jayanti: হনুমান জয়ন্তীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক পৌরাণিক কাহিনী

হনুমান জয়ন্তীর পৌরাণিক কাহিনীর মধ্যে রামায়ণ এর সম্পর্ক জড়িয়ে আছে। রামায়ণের ঘটনাপ্রবাহ শুরুর অনেক আগে দেবরাজ ইন্দ্রের বজ্রাঘাতে অঞ্জনা ভয় পেয়ে গর্ভস্থ হনুমানকে প্রসব করেন। বায়ু দেব তাঁর জীবনের রক্ষা করেন এবং পরে হনুমানকে অসীম শক্তি দান করেন। তাই তাঁকে 'বায়ুপুত্র' বলেও ডাকা হয়।

হনুমান জয়ন্তী ভারতের  অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ।  ভগবান হনুমানের জন্মদিন হিসেবে পালিত হয় এই দিনটি। প্রতি বছর চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করা হয়। হনুমানজির পূজার্চনা , রামায়ণ পাঠের পর অঞ্জলি নিবেদের  মধ্যে দিয়ে পালন করা হয় ।

হনুমান জয়ন্তীর পৌরাণিক কাহিনীর মধ্যে রামায়ণ এর সম্পর্ক জড়িয়ে আছে।  ভগবান হনুমান ছিলেন অঞ্জনা ও কেশরীর পুত্র। অঞ্জনা এক অপ্সরা ছিলেন যিনি এক অভিশাপে মর্ত্যে জন্ম নেন। তিনি কঠোর তপস্যা করে ভগবান শিবকে তুষ্ট করেন। তাতেই শিব আশীর্বাদস্বরূপ হনুমান রূপে জন্ম নেন। আর একদিক থেকে হনুমানকে শিবের এক অবতার বলেও মানা হয়। কথিত আছে, রামায়ণের ঘটনাপ্রবাহ শুরুর অনেক আগে দেবরাজ ইন্দ্রের বজ্রাঘাতে অঞ্জনা ভয় পেয়ে গর্ভস্থ হনুমানকে প্রসব করেন। বায়ু দেব তাঁর জীবনের রক্ষা করেন এবং পরে হনুমানকে অসীম শক্তি দান করেন। তাই তাঁকে 'বায়ুপুত্র' বলেও ডাকা হয়।

শৈশব থেকেই হনুমান ছিলেন অসাধারণ শক্তির অধিকারী। একবার সূর্যকে পাকা আম ভেবে খেতে গিয়ে তিনি স্বয়ং সূর্যদেবের কাছে পৌঁছে যান। এই কারণে দেবতারা  তাঁকে নানা বর দান করেন। কিন্তু বাল্যকালে সে ছিল খুব দুষ্টু আর  কৌতুহল । তাই মুনিরা তাঁকে স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার অভিশাপ দেন, যা রামায়ণের সময় রামভক্তির মধ্য দিয়ে কাটে।

রামায়ণে হনুমানজির ভূমিকাই তাঁকে আলাদা করে দেয়। তিনি শুধুই রামের ভক্ত নন, তিনি নীতির প্রতীক, শক্তির মূর্ত প্রতীক এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শ উদাহরণ। রামায়নের সব ঘটনায় তার উজ্জ্বল উপস্থিতি দেখা যায় ।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement