Pohela Boishakh 2020 Wishes: আজ শুভ নববর্ষ ১৪২৭ উপলক্ষে সকলকে পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানাতে আপনার পরিবার, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে WhatsApp, Facebook, Message-র মাধ্যমে শেয়ার করে নিন এই শুভেচ্ছাপত্রগুলি
আজ শুভ নববর্ষ ১৪২৭। কিন্তু এবছর বিশ্বজুড়ে মারণ করোনাভাইরাস (Coronavirus) মহামারীর প্রকোপে সমস্ত উৎসবই ম্লান হয়েছে। সকলকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গবদ্ধভাবে যেকোনো অনুষ্ঠান করা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই এবারের নতুন বছর বাড়িতেই কাটাতে হবে। পরিবারের সঙ্গে। এবছর করা যাবে না বাড়ি বাড়ি মিষ্টি বিতরন বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে ঘুরতে যাওয়া। তাই লেটেস্টলি বাংলা (LatestLY Bangla) আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে শুভেচ্ছাপত্র । এই শুভেচ্ছাপত্রগুলি শেয়ার করে নিন পরিবার ,পরিজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে। আর বাড়িতেই আনন্দ করে নতুন বছরের আগমন করে নিন।
Pohela Boishakh 2020 Wishes In Bengali: পয়লা বৈশাখ (Poila Boisakh) বা পহেলা বৈশাখ (Pohela Boisakh OR Bengali New Year) বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস, বৈশাখের ১ তারিখ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন তথা বাংলা নববর্ষ পালিত হয়। এইবছর বাংলা নববর্ষ ১৪২৭ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল পালিত হবে। এই দিনটি সকল বাঙালি জাতির কাছে ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের দিন। পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) এবং বাংলাদেশে (Bangladesh) নববর্ষ পালিত হয়। সেই হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত।
কিন্তু এবছর বিশ্বজুড়ে মারণ করোনাভাইরাস (Coronavirus) মহামারীর প্রকোপে সমস্ত উৎসবই ম্লান হয়েছে। সকলকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গবদ্ধভাবে যেকোনো অনুষ্ঠান করা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই এবারের নতুন বছর বাড়িতেই কাটাতে হবে। পরিবারের সঙ্গে। এবছর করা যাবে না বাড়ি বাড়ি মিষ্টি বিতরন বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে ঘুরতে যাওয়া। তাই লেটেস্টলি বাংলা (LatestLY Bangla) আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে শুভেচ্ছাপত্র। এই শুভেচ্ছাপত্রগুলি শেয়ার করে নিন পরিবার ,পরিজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে। আর বাড়িতেই আনন্দ করে নতুন বছরের আগমন করে নিন।
এই উৎসব শোভাযাত্রা, মেলা, পান্তাভাত খাওয়া, হালখাতা খোলা ইত্যাদি বিভিন্ন কার্যকলাপের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়। বাংলা নববর্ষের শুরুতে সকলে "শুভ নববর্ষ" জানিয়ে শুভেচ্ছা আদানপ্রদান করে। নববর্ষের সময় বাংলাদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। ২০১৬ সালে, ইউনেস্কো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই উৎসব শোভাযাত্রাকে "মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য" হিসেবে ঘোষণা করে। এই উৎসবে নতুন বস্ত্র পরার রীতি রয়েছে। এছাড়াও, অনেকেই বাঙালি সুস্বাদু পদ রান্না করে, খেয়ে দিনটিকে উদযাপন করে।
বিগত বছরের চৈত্র মাসে শহরের অধিকাংশ দোকানে ক্রয়ের উপর দেওয়া হয়ে থাকে বিশেষ ছাড়, যার প্রচলিত কথ্য নাম 'চৈত্র সেল'। এই দিনটিতে মিষ্টিমুখ, বাড়িতে বাড়িতে মিষ্টি বিতরণ। আলপনা এঁকে, বাড়ির লক্ষ্মীকে পুজো করা হয়। বাঙালিরা নতুন পঞ্জিকা কেনে। বাংলা ক্যালেন্ডার কেনে। একে অন্যের বাড়ি গিয়ে আনন্দ-মজার মধ্যে দিয়ে দিনটি কাটায়।