Gajan Festival 2020: লকডাউনের জেরে বসবে না গাজন-চরকের মেলা, রোজগার বন্ধ শিব-পার্বতীদের

চৈত্র মাস মানেই, গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী শিব, হনুমান, সীতা। হরেক রকম সেজে গায়ে রং চং মেখে গ্রাম ছাড়ার পালা সকলের। সারা বছর ধান-গম কাটতে ব্যস্ত থাকেন যারা। তারাই এই সময়টাতে হয়ে ওঠেন শিল্পী। যে যত ভাল শিল্পী, তার টাকা রোজগারের পরিমাণ তত বেশি। চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয় এই উৎসব, চলে বৈশাখের শুরু পর্যন্ত। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জেরে বাড়ি থেকে বেরোনোই দায় হয়ে গিয়েছে। সেখানে আর চড়ক-গাজন! বন্ধ উপরি পাওনা। তাই মানুষের সঙ্গে সঙ্গে আজ ঘরবন্দি সাজসজ্জা-বাদ্যযন্ত্রও। লকডাউনের জেরে গ্রাম ছেড়ে শহরে আসার ব্যস্ততা নেই আজ শিব-পার্বতী-সিংহদের মধ্যে।

Photo Source: Wikipedia

'আমরা দুটি ভাই শিবের গাজন গাই,

ঠাকমা গেছেন গয়া কাশী ডুগডুগি বাজাই’

চৈত্র মাস মানেই, গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী শিব, হনুমান, সীতা। হরেক রকম সেজে গায়ে রং চং মেখে গ্রাম ছাড়ার পালা সকলের। সারা বছর ধান-গম কাটতে ব্যস্ত থাকেন যারা। তারাই এই সময়টাতে হয়ে ওঠেন শিল্পী। যে যত ভাল শিল্পী, তার টাকা রোজগারের পরিমাণ তত বেশি। চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয় এই উৎসব, চলে বৈশাখের শুরু পর্যন্ত। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জেরে বাড়ি থেকে বেরোনোই দায় হয়ে গিয়েছে। সেখানে আর চড়ক-গাজন! বন্ধ উপরি পাওনা। তাই মানুষের সঙ্গে সঙ্গে আজ ঘরবন্দি সাজসজ্জা-বাদ্যযন্ত্রও। লকডাউনের জেরে গ্রাম ছেড়ে শহরে আসার ব্যস্ততা নেই আজ শিব-পার্বতী-সিংহদের মধ্যে। আরও পড়ুন: Coronavirus Lockdown: লকডাউনে ভিন রাজ্যে আটকে ছেলে, ১৪০০ কিমি বাইক চালিয়ে ফিরিয়ে আনলেন মা 

বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চৈত্র মাসের শেষ দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়ক পুজো। এটি মূলত বাঙালি হিন্দুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব। নববর্ষের প্রথম দু-তিন দিন ধরে চড়ক পূজো চলে। তবে কবে এই পুজো শুরু হয় তার স্পষ্ট কোনও ইতিহাস মেলেনি কোথাও। তবে, এই সময়টায় হরেক রকম 'খেলা' দেখিয়ে মানুষকে বিস্মিত করে তোলেন গ্রাম বাংলার মানুষেরা। কোনওমতে নম: নম: করে সাড়া হবে পুজোটা। বাকি রীতি-নীতি, মেলা-খেলা সবই এবার বন্ধ। যার জেরে বন্ধ আজ বহুরূপীদের রুটি-রুজি।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement