Famous Christmas Destinations: বড়দিনের আগে জেনে নিন পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত গির্জাগুলোর নাম

পশ্চিমবঙ্গে নামকরা কয়েকটি গির্জা আছে। খ্রিস্টমাসে এই গির্জাগুলিকে খুব সুন্দর করে ফুল ও আলো দিয়ে সাজানো হয়।

Famous Christmas Destinations (Photo Credit: X)

কলকাতা: সামনেই ২৫শে ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন। সারা বিশ্বেই নানাভাবে পালিত হয় যীশুর জন্মদিন। ভারতেও এই দিনে স্কুল, কলেজ, সরকারি-বেসরকারি অফিস ছুটি থাকে। ক্রিসমাসে (Christmas) গির্জাগুলো বিশেষ সাজে সেজে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গে নানা ধর্মের মানুষ বসবাস করে। তাই পশ্চিমবঙ্গেও কয়েকটি নামকরা গির্জা আছে। বড়দিনে এই গির্জাগুলিকে খুব সুন্দর করে ফুল ও আলো দিয়ে সাজানো হয়। আসুন জেনে নিন কি নাম সেই গির্জাগুলির।

ব্যান্ডেল চার্চ - পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন গির্জাগুলোর মধ্যে অন্যতম হুগলির ব্যান্ডেল চার্চ (Bandel Church)। এই চার্চের পোশাকি নাম দ্য ব্যাসিলিকা অফ দ্য হোলি-রোসারি, ব্যান্ডেল। ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় এই চার্চ। প্রতি বছরই প্রথা মেনে মধ্যরাতে বড়দিনের প্রার্থনা করা হয়।

চিনসুরা চার্চ - হুগলির চুঁচুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র ঘড়ির মোড়ের পাশেই অবস্থিত চিনসুরা চার্চ (Chinsurah Church)। এটিও রাজ্যের প্রাচীন চার্চগুলির মধ্যে একটি। গির্জাটি গড়ে ওঠে ১৮২৫ খৃষ্টাব্দে। আরও পড়ুন: Mahadeepam Video: বিশালাকার প্রদীপ জ্বালিয়ে মন্দির প্রদক্ষিণ ভক্তদের, মাদুরাইয়ের ভিডিয়ো

সেন্ট জনস চার্চ – সেন্ট জনস চার্চ ১৭৮৭ সালে নির্মিত হয়েছিল। ইতিহাস অনুসারে সেন্ট জনস চার্চটিকে ব্রিটিশের শাসনকালে ভারতের রাজধানী কলকাতাতে প্রথম জনসাধারণের জন্য নির্মিত করা হয়। এই গির্জা কমপ্লেক্সের ভেতরে আপনার দেখার মতো কিছু উল্লেখযোগ্য জিনিস আছে , যেমন- ব্ল্যাক হোল মনুমেন্ট এবং দ্বিতীয় রোহিলা ওয়ার মেমোরিয়াল। এই ভবন দুটি পাথর এবং ইটের দ্বারা নির্মিত হওয়ায় বাসিন্দাদের কাছে এটি পাথুরে গির্জা (Stone Church) নামে পরিচিত।

রানাঘাট বেগোপাড়া চার্চ - রানাঘাটের এই ক্যাথলিক চার্চটি অবস্থিত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে। এই যে চার্চকে কেন্দ্র করে একটা গোটা পাড়ার বাসিন্দারা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ে দীক্ষিত হন। যার কারণে আশপাশের বাসিন্দাদের কাছে বেগোপাড়া খ্রিস্টান পাড়া নামে পরিচিতি লাভ করে।

সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল - সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল গির্জাটি হলো পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বিখ্যাত গির্জা। এটি ক্যাথেড্রাল রোডের উপর অবস্থিত।গির্জাটি ইন্দো-গথিক স্থাপত্যের গর্ব। ১৮৪৭ সালের শুরুতে এই গির্জাটি এশিয়ার প্রথম এপিস্কোপাল চার্চ( Episcopal Church) হিসেবে বিবেচিত হত। সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল ২৪৭ ফুট লম্বা এবং ৮১ ফুট প্রস্থ এবং গির্জার অভ্যন্তরীণ অংশ ১১৪ ফুট।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement