Uttar Pradesh: ফুটন্ত কড়াইয়ে পড়ল শিশু সন্তান, ঝলসে গেল সর্বাঙ্গ, যন্ত্রণায় ছটফট করে মৃত্যু

ফুটন্ত কড়াইয়ের মধ্যে পড়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশু সন্তান। চিৎকার করে কাঁদছে সে। এমন সাংঘাতিক দৃশ্য দেখে সাতপাঁচ না ভেবে মেয়েকে কোলে তুলে কাপড়ে জড়িয়ে হাসপাতালে ছোটেন তিনি। জরুরি চিকিৎসা সত্ত্বেও প্রাণে বাঁচানো গেল না খুদে কন্যাকে।

Boiling Pot (Photo Credits: X)

সোনভদ্র, ৩০ জুনঃ কড়াইয়ে ছোলা সিদ্ধ করতে দিয়ে রান্নাঘর থেকে বেরিয়েছিলেন মহিলা। রান্নাঘরেই বাইরেই খেলা করছিল তাঁর দেড় বছরের মেয়ে। আচমকা বিকট শব্দ। ছুটে আসেন মহিলা। ফুটন্ত কড়াইয়ের মধ্যে পড়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশু সন্তান। চিৎকার করে কাঁদছে সে। এমন সাংঘাতিক দৃশ্য দেখে সাতপাঁচ না ভেবে মেয়েকে কোলে তুলে কাপড়ে জড়িয়ে হাসপাতালে ছোটেন তিনি। জরুরি চিকিৎসা সত্ত্বেও প্রাণে বাঁচানো গেল না খুদে কন্যাকে। শরীরের ৮০ শতাংশের বেশি পুড়ে গিয়েছিল তার। আশ্চর্যের বিষয়, বছর দুই আগে একই ভাবে মারা গিয়েছিল ওই দম্পতির বড় মেয়ে। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সোনভদ্রের।

জানা যাচ্ছে, নিহত শিশুর বাবা শৈলেন্দ্র মূলত ঝাঁসির বাসিন্দা। তিনি গত চার বছর ধরে দুধিতে একটি ভাড়া বাড়িতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে থাকছেন। ফুচকা বিক্রি করে সংসার চালান তিনি। ফুচকার সামগ্রী তাঁর স্ত্রী পূজা প্রস্তুত করে দেন। প্রতিদিনের মত শুক্রবার, ২৭শে জুন পূজা ফুচকার জন্যে উনুনে ছোলা সিদ্ধ করতে বসিয়েছিলেন। রান্নাঘরের বাইরে খেলা করছিল তাঁদের একরত্তি সন্তান প্রিয়া। বয়স মাত্র দেড় বছর। ছোলা সিদ্ধ করতে বসিয়ে রান্নাঘরের বাইরে বেরিয়েছিলেন পূজা। এরই মধ্যে কখন খেলতে খেলতে রান্নাঘরে ধুরে পড়ে প্রিয়া। মুখ থুবড়ে পড়ে ফুটন্ত কড়াইয়ের মধ্যে। যন্ত্রণায় তারস্বরে চিৎকার করে সে। ছুটে আসেন পূজা। মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। পোড়া এতই বেশি ছিল যে সেখান থেকে শিশুকে জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় জরুরি চিকিৎসা। শরীরের ৮০ শতাংশের বেশি ঝলসে গিয়েছিল শিশুর। বাঁচানো গেল না তাকে।

বছর দুই আগে দম্পতির বড় মেয়ে সৌমিয়াও একই ভাবে পুড়ে মারা গিয়েছিল। ফুটন্ত ডালের পাত্রে পড়ে গিয়েছিল সে। দুই সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শৈলেন্দ্র এবং পূজা।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement