Uttar Pradesh Shocker: দীর্ঘদিন ধরে ইভটিজিং, সহ্য করতে না পেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন চার বোনের

দীর্ঘদিন ধরে ইভটিজিং (Eve Teasing) করায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করল চার বোন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ফিরোজাবাদে (Firozabad)। মৃতের নাম রাম গোপাল বাঘেল (৪০)। তাঁকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ একই পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে, তাদের মধ্যে চার যুবতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন প্রতিবেশী বাঘেলের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। রাম গোপালকে মারধরের একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, চার যুবতী-সহ একটি পরিবারের কয়েকজন সদস্য রাম গোপালকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করছে। রক্তারক্তি হয়ে গেলেও মারধর থামেনি। মারের চোটে ওখানেই মৃত্যু হয় রাম গোপালের।

Representational Image(Photo Credits: PTI)

ফিরোজাবাদ, ২৪ অগাস্ট: দীর্ঘদিন ধরে ইভটিজিং (Eve Teasing) করায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন (Murder) করল চার বোন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ফিরোজাবাদের (Firozabad) খেদা গ্রামে। মৃতের নাম রাম গোপাল বাঘেল (৪০)। তাঁকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ একই পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে, তাদের মধ্যে চার যুবতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন প্রতিবেশী বাঘেলের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। রাম গোপালকে মারধরের একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, চার যুবতী-সহ একটি পরিবারের কয়েকজন সদস্য রাম গোপালকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করছে। রক্তারক্তি হয়ে গেলেও মারধর থামেনি। মারের চোটে ওখানেই মৃত্যু হয় রাম গোপালের।

একজন প্রতিবেশী বলেন, "পরিবারের পুরুষ ও মহিলা সদস্যরা তাঁকে মারধর করার জন্য লাঠিসোঁটা ব্যবহার করে। পরে রাম গোপালের খাটে আগুনও লাগিয়ে দেয়।" ফিরোজাবাদের পুলিশ সুপার অখিলেশ নারায়ণ বলেছেন, "রাম গোপাল বাঘেলের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে ফরেন্সিক দলকে সঙ্গে নিয়ে শিকোহাবাদ পুলিশ গ্রামে যায়। সাতজন ঘটনায় জড়িত রয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন ছাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, বাকি তিনজনের খোঁজ চালানো হচ্ছে।" আরও পড়ুন: Brahmos Missile Misfire: পাকিস্তানের দিকে ভুল করে ব্রক্ষ্মস মিসাইল, বরখাস্ত বায়ুসেনার ৩ আধিকারিক

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তের পর আমরা জানতে পেরেছি যে নিহত ব্যক্তি কিছু অনুপযুক্ত কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। যার বিরোধিতা করতেন প্রতিবেশীরা। অভিযোগ, নিহত ব্যক্তি ধৃত চার বোনকে ক্রমাগত ইভটিজিং করতেন। সেই কারণেই মঙ্গলবার ধৃতদের পরিবারকে তাঁকে আক্রমণ করে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement