Telangana Tunnel Collapse: সাত দিন পরেও সুড়ঙ্গের অন্দরে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছান গেল না, বেঁচে কি ফিরবে ঘরের ছেলে? দুশ্চিন্তায় পরিবার
তাই তারা আদেও তারা বেঁচে রয়ছেন কিনা সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কেউই। গত ২২ ফেব্রুয়ারি, শনিবার শ্রীশৈলম বাঁধের পিছনে অবস্থিত সুড়ঙ্গের ছাদের একটি অংশ পড়ে। জলসেচের জন্য সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনাটি ঘটে।
হায়দরাবাদ, ১ মার্চঃ তেলেঙ্গানার নাগরকুর্নুল জেলায় নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গ ধসে (Telangana Tunnel Collapse) আটকে পড়েছেন আটজন নির্মাণ কর্মী। দেখতে দেখতে ঘটনার সাত দিন পার হয়ে গিয়েছে। উদ্ধার কাজ ঘিরে কোনরকম ইতিবাচক ইঙ্গিত এখনও দিতে পারলেন না উদ্ধারকারী হল, সুড়ঙ্গের অন্দরে আটকে থাকা এক শ্রমিকের আত্মীয় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি, শনিবার শ্রীশৈলম বাঁধের পিছনে অবস্থিত সুড়ঙ্গের ছাদের একটি অংশ পড়ে। জলসেচের জন্য সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফলে সুড়ঙ্গের ভিতরেই আটকে পড়েন ৮ নির্মাণ কর্মী। ঘটনার ৮ দিন পার হয়ে গেলেও ৮ শ্রমিকের কাছে এখনও পৌঁছতে পারলেন না উদ্ধারকারী দল। এদিকে দুশ্চিন্তার পাহাড় জমেছে তাঁদের পরিবারের মাথার উপর। এক শ্রমিকের কাকা জানালেন, 'ভিতরে কী ঘটছে সে সম্পর্কে আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই। আমরা সুড়ঙ্গের ভিতরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলাম, কিন্তু অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। গ্রামের সবাই খুব চিন্তিত'।
দুশ্চিন্তার পাহাড় পরিবারের মাথায়ঃ
সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে পড়া ৮ জনের মধ্যে দুজন প্রকৌশলী, একটি মার্কিন কোম্পানির অপারেটর রয়েছেন দুজন এবং বাকি চারজন শ্রমিক। তবে তাঁদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ সেই সংশয় আগেই প্রকাশ করেছেন, তেলেঙ্গানার মন্ত্রী জুপালী কৃষ্ণ রাও।
দিনরাত এক করে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১২৮ জন সদস্য, রাজ্য মোকাবিলা বাহিনীর ১২০ জন সদস্য। উদ্ধার অভিযানে রয়েছেন ভারতীয় সেনার ২৮ জন। এছাড়াও উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন ২০২৩ সালে উত্তরাখণ্ড সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গ অভিযানের পিছনে থাকা বীরত্বপূর্ণ দলের ছয় সদস্যও। তবে সাত দিন পরেও পৌঁছান গেল না শ্রমিকদের কাছে। আদেও তারা বেঁচে রয়ছেন কিনা সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কেউই।