Pune Power Outage News: পুণেতে যে কারণে ৩ লক্ষাধিক বাড়ি বিদ্যুৎহীন, বন্ধ মেট্রো, থমকে জনজীবন
প্রায় ৩ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি পরিবার ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র শিল্পাঞ্চল ও নাগরিক জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।
Pune Power Outage News: রবিবার দুপুরে মহারাষ্ট্র স্টেট ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (MSETCL) ২২০ কেভি সাবস্টেশনে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের জেরে স্তব্ধ হয়ে পড়ল পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় শহর। প্রায় ৩ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি পরিবার ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র শিল্পাঞ্চল ও নাগরিক জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।
বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের বিবরণ:
সময়ের হিসাব: রবিবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট নাগাদ চিঞ্চওয়াড় সাবস্টেশনের ২২ কেভি কারেন্ট ট্র্যান্সফর্মারে (CT) আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়।
ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার কাজ: খবর পেয়েই দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতায় উচ্চ ক্ষমতার মূল লাইনগুলি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা হতাহতের খবর মেলেনি।
মেট্রো ও পানীয় জল পরিষেবা ব্যাহত:
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহন ও পৌর পরিষেবায়:
পুনে মেট্রো থমকে: পাওয়ার গ্রিড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (PCMC) থেকে সোয়ারগেট রুটে মেট্রো চলাচল ২২ মিনিটের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়।
পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ:সাবস্টেশন অকেজো হয়ে পড়ায় পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরসভার ওয়াটার পাম্পিং স্টেশনগুলি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে রবিবার বিকেল থেকে বহু এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ স্থগিত রাখা হয়।
শিল্পাঞ্চলে ধাক্কা: চাকান ও তালেগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেল্টের (MIDC) প্রায় ১,৫০০টি কলকারখানায় বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যার ফলে কোটি কোটি টাকার উৎপাদন ব্যাহত হয়।
কোন কোন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত?
বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা (MSEDCL) জানিয়েছে, পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের ওয়ালাদ, রাভেত, কালেওয়াড়ি, সPlatform, পিম্পলে সওদাগর, নিগড়ি, দেহু রোড ও তাথাওয়াড়ে সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পাওয়ার কাট ঘটে। এছাড়া পুনে শহরের শিবাজিনগর, মডেল কলোনি, আউন্ধ ও সেনাপতি বাপত রোডের প্রায় ৫০ হাজার গ্রাহক এই সংকটের মুখে পড়েন। বিকল্প রুটের মাধ্যমে রবিবারের মধ্যেই বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও বেশ কিছু অঞ্চলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। বিদ্যুৎ দপ্তর যুদ্ধের তৎপরতায় মেরামতের কাজ চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে।