Bride Dies By Suicide Over Dowry Demand: পণের জঘন্য লালসার বলি; ৭০ লক্ষের ভলভো গাড়ি, ৮০০ গ্রাম সোনাতেও লোভের হাঁ বন্ধ হয়নি শ্বশুরবাড়ির, বিয়ের ৭৮ দিনের আত্মহত্যা নববধূর
রবিবার রিধ্যানা মন্দিরে যাওয়ার নাম করে গাড়ি নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হন। রাস্তার মাঝেই চাষের পোকা মারার বিষ খান তিনি। ফলে ওই গাড়িটি মাঝ রাস্তায় এক জায়গায় পার্ক করান রিধান্যা। অনেক সময় ধরে একটি গাড়ি পার্ক করানো দেখে, স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে গাড়ির ভিতরে রিধান্যার দেহ দেখতে পান। তবে ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মুখ থেকে ফেনা বেরোতে দেখা যায়।
চেন্নাই, ৩০ জুন: পণের (Dowry Torture) জন্য অত্যাচার। সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করলেন এক তরুণী। মাত্র ২৭ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল ওই তরুণীর জীবন। ফের এমনই একটি ভয়াবহ খবর উঠে এল তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) থিরুপুর থেকে। যেখানে বিয়ের ৭৮ দিনের মাথায় আত্মহত্যা (Suicide) করেন বছর ২৭-এর উজ্জ্বল এক তরুণী (New Bride)। যৌতুকের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচার সহ্য করতে না পরেই নিডের জীবন শেষ করে দেন তামিলনাড়ুর ওই তরুণী।
রিপোর্টে প্রকাশ, থিরুপুরের রিধ্যানার সঙ্গে বিয়ে হয় বছর ২৭-এর কভিন কুমারের। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পোশাক ব্যবসায়ী আন্নাদুরাইয়ের মেয়ে রিধান্যার সঙ্গে কভিন কুমারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আন্নাদুরাই জামাই কভিনকে ৭০ লক্ষ টাকার একটি ভলভো গাড়ি দেন যৌতুকে। সেই সময় ৮০০ গ্রাম সোনাও মেয়েকে দেন তিনি। তারপরও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের লোভ, লালসা কমেনি।
পণের জন্য শারীরিক, মানসিক অত্যাচার। শ্বশুরবাড়ির মারে বেহাল বধূর আত্মহত্যা...
রবিবার রিধ্যানা মন্দিরে যাওয়ার নাম করে গাড়ি নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হন। রাস্তার মাঝেই চাষের পোকা মারার বিষ খান তিনি। ফলে ওই গাড়িটি মাঝ রাস্তায় এক জায়গায় পার্ক করান রিধান্যা। অনেক সময় ধরে একটি গাড়ি পার্ক করানো দেখে, স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে গাড়ির ভিতরে রিধান্যার দেহ দেখতে পান। তবে ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মুখ থেকে ফেনা বেরোতে দেখা যায়।
মৃত্য়ুর আগে নিজের হোয়াটস অ্যাপে পরপর ৮টি মেসেজ রেকর্ড করেন রিধান্যা। যেখানে বাবাকে গোটা বিষয়টি খুলে জানান। সেই সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির প্রতিদিনের অত্যাচার সহ্য করতে পারছিলেন না বলে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাবা, মা যেনা তাঁকে ক্ষমা করে দেন বলেও ওই মেসেজে রিধান্যাকে বলতে শোনা যায়।
শুধু তাই নয়, কভিন কুমার এবং তার বাড়ির লোকজন এমনভাবে তাঁর উপর মানসিক অত্যাচার চালাত যে তিনি আর সহ্য করতে পারছিলেন না। কার কাছে এই কথা বলবেন, তা বুঝে উঠতে না পেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে রিধান্যা জানান। এই শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না। এই জীবন আর চান না। তাই কারও উপর যাতে নির্ভর করতে আর না হয়, তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও হোয়াটস অ্যাপের মেসেজে বলতে শোনা যায় রিধান্যাকে।
পুলিশ রিধান্যার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। সেই সঙ্গে মৃতের স্বামী কভিন কুমার তার বাবা ঈশ্বরমূর্তি এবং মা চিত্রাদেবীর বিরুদ্ধে দায়ের করেছে অভিযোগ। তদন্ত শুরু হয়েছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)