Swatantra Bhardwaj Detained: পকসো আইনে গ্রেফতার স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ, যন্তর মন্তরে হামলার ঘটনায় ইউপি থেকে ধৃত
দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে অবশেষে ধরা পড়লেন বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ। কয়েক সপ্তাহ ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকার পর, শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর জেলা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
Swatantra Bhardwaj Detained: দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে অবশেষে ধরা পড়লেন বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ। কয়েক সপ্তাহ ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকার পর, শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর জেলা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। দিল্লির যন্তর মন্তরে এক নাবালিকা আন্দোলনকারীর বাবাকে মারধরের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের পর তাঁর বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইন এবং তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি (SC/ST) অত্যাচার প্রতিরোধ আইনে একটি নতুন এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত এবং গুরুতর অভিযোগ
ঘটনার সূত্রপাত গত জুলাই মাসে, যখন দিল্লির যন্তর মন্তরে 'সিটিজেন্স ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস' (CJP)-এর উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছিল। অভিযোগ, সেখানে এক নাবালিকা আন্দোলনকারীর বাবার ওপর হামলা চালান স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে তিনি প্রকাশ্যে সেই মারধরের কথা স্বীকার করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের দোহাই দিয়ে আইনি পদক্ষেপের তোয়াক্কা করবেন না বলে দাবি জানান। এই ঘটনার পর ওই নাবালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত হুমকি ও ধর্ষণের হুমকি পাচ্ছিল, যার ফলে তাকে বেশ কিছুদিন স্কুলে যাওয়াও বন্ধ রাখতে হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও রাজনৈতিক দল পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় বিক্ষোভ দেখালে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি পায়।
আত্মগোপন এবং বুলন্দশহরে নাটকীয় গ্রেফতার
গ্রেফতার এড়াতে শুক্রবার ভোরে দিল্লি ছেড়ে উত্তরপ্রদেশে পালিয়ে যান ভরদ্বাজ। বুলন্দশহরের নৈথলা গ্রামে হরি শঙ্কর শর্মা নামের এক ট্যাক্সি চালকের বাড়িতে গিয়ে তিনি আশ্রয় নেন। তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা খবর পেয়ে সেখানে জড়ো হতে শুরু করলে ভরদ্বাজ আত্মগোপনের স্থান পরিবর্তনের চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত দুপুর ২টায় দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি সাদা পোশাকের দল খবর পেয়ে ধামেদা নারা গ্রাম থেকে ভরদ্বাজকে আটক করে।
দুই রাজ্য পুলিশের সমন্বয়হীনতা
এই ঘটনার পেছনে দিল্লি পুলিশ ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সমন্বয়ের অভাব প্রকাশ্যে এসেছে। সিকান্দ্রাবাদের সার্কেল অফিসার দীপক কুমার জানান, দিল্লি পুলিশ স্থানীয় থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আগাম খবর না দিয়েই এই অভিযান চালায়। স্থানীয় পুলিশ যখন খবর পায়, ততক্ষণে দিল্লি পুলিশের দল তাঁকে হেফাজতে নিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে দিল্লি পুলিশের তত্ত্বাবধানে ভরদ্বাজের বিরুদ্ধে পকসো আইনসহ একাধিক নতুন ধারায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।