Haridwar Woman Bathing Viral Video: হরিদ্বারে গঙ্গা স্নানের ডিপফেক ভিডিও ভাইরাল কাণ্ডে এআই বিকৃতির অভিযোগে সাইবার সেলের দ্বারস্থ সোনম যাদব

হরিদ্বারের পবিত্র হার কি পৌড়িতে অন্তর্বাস পরে গঙ্গা স্নানের একটি ভিডিও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। ধর্মীয় স্থানে এই ধরণের পোশাক পরা নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন।

Sonam Yadav Lodges Complaint Over AI Manipulation (Photo Credits: Instagram/@sonam_yadav777)

Haridwar Woman Bathing Viral Video: হরিদ্বারের পবিত্র হার কি পৌড়িতে অন্তর্বাস পরে গঙ্গা স্নানের একটি ভিডিও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। ধর্মীয় স্থানে এই ধরণের পোশাক পরা নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন। তবে একটি তথ্যানুসন্ধানকারী সংস্থার (Fact Check) রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির সাহায্যে বিকৃত (AI-Manipulated) করা হয়েছে। ভিডিওটিতে যে নারী দেখা যাচ্ছেন, তিনি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর সোনাম যাদব।

ঘটনার সত্যতা সামনে আসার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন নেটিজেনরা। এই ভুয়া ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন আক্রান্ত সোনম যাদব।

প্রকৃত ঘটনা ও ফ্যাক্ট চেক রিপোর্ট

আসল ভিডিওর সত্যতা:ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা 'বুম' (BOOM)-এর অনুসন্ধান অনুযায়ী, আসল ভিডিওটিতে সোনম যাদবকে ঐতিহ্যবাহী সালোয়ার-কামিজ পরেই হরিদ্বারে গঙ্গা স্নান করতে দেখা গেছে।

এআই টেকনোলজির অপব্যবহার: মূল ভিডিওটির ব্যাকগ্রাউন্ড এবং শারীরিক অঙ্গভঙ্গি এক রেখে এআই ডিজিটাল এডিটিংয়ের মাধ্যমে তাঁর শরীরের পোশাক বদলে অন্তর্বাস বা বিকিনি বানিয়ে দেওয়া হয়।

এআই ডিটেক্টর দিয়ে যাচাই: এআই-ডিটেক্টর টুলের সাহায্যে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ভিডিওটির নির্দিষ্ট অংশে কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

দেখুন ভিডিও

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Sukant (@sonam_yadav777)

সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ দায়ের

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ক্ষোভ উগরে দেন সোনাম যাদব। তিনি স্পষ্ট জানান, ছড়িয়ে পড়া ক্লিপটি তাঁর আসল ভিডিও নয়, এটি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লেখেন, "এই ভিডিওটি আমার নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এটি এডিট করা হয়েছে। দয়া করে আমার আসল ভিডিওর সঙ্গে এই ভুয়া অংশ জুড়ে কেউ শেয়ার করবেন না। আমি সাইবার ক্রাইম শাখায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। যাঁরা এটি আপলোড করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে। যাঁরা আগে থেকেই পোস্ট করে রেখেছেন, তাঁরা অবিলম্বে ভিডিওটি মুছে দিন।"

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং 'ডিপফেক' (Deepfake) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের হেনস্থা করার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। হরিদ্বারের ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করল যে, যাচাই না করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ভিডিও শেয়ার করা কতটা মারাত্মক হতে পারে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement