Rajasthan: পাক গুপ্তচর সন্দেহে গ্রেফতার সরকারি কর্মী, ভারতে 'অবাঞ্ছিত' দানিশের সঙ্গে ছিল নিয়মিত যোগাযোগ, আর কী কী জানা গেল?
শাকুর খান পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত কিছু ব্যক্তি, বিশেষ করে আহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশ এবং সোহেল কামারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন।
জয়সলমীর, ৩ জুনঃ পাক গুপ্তচর সন্দেহে ভারতের মাটি থেকে গ্রেফতার হলেন আরও এক ব্যক্তি। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে। রাজস্থানের (Rajasthan) জয়সলমীর (Jaisalmer) থেকে কেন্দ্র এবং রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ দল চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে শাকুর খান (Shakur Khan) নামে ওই সরকারি কর্মীকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, নিজের অফিস থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। শাকুর খানের কার্যকলাপ দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক ঠেকছিল। তার উপর নজর রাখা হচ্ছিল। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অভিযুক্তের উপর বেশ কিছুদিন ধরেই নজরদারি চালাচ্ছিল। অবশেষ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জয়সলমীরে সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ
নজরদারি চলাকালীন জানা গিয়েছে, শাকুর খান পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত কিছু ব্যক্তি, বিশেষ করে আহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশ এবং সোহেল কামারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন। ভারত সরকার ইতিমধ্যেই দানিশকে 'অবাঞ্ছিত' ঘোষণা করেছে। এবং তাকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে। জ্যোতি মালহোত্রা কাণ্ডে উঠে এসেছিল পাক হাই কমিশনের এই কর্তার নাম। সেই সময়েই দানিশকে ভারত থেকে বহিষ্কার করা হয়।
পাক গুপ্তচর সন্দেহে গ্রেফতার সরকারি কর্মী
ধৃত শাকুর খানের মোবাইল, ল্যাপটপ-সহ অন্যান্য গ্যাজেট বাজেয়াপ্ত করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। আর সেখানেই বিভিন্ন চ্যাট, ফোনকল, ইমেলে মিলেছে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ। জিজ্ঞাসাবাদে শাকুর দানিশের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছেন। জানান, বেশ কয়েকবার তিনি পাকিস্তান গিয়েছেন। দানিশই তাকে ভিসা পেতে সাহায্য করেছিলেন।