Delhi: 'সন্তানদের সামনেই আমাকে মদ্যপ হয়ে রোজ মারধর করত', অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে খুন স্বামীকে

স্বামীকে হত্যা করে গ্রেফতার ৩৫ বছরের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে (Delhi)। অভিযোগ, সন্তানদের সামনেই প্রতিদিন তাকে গালিগালাজ করত স্বামী। শুধু তাই-ই নয়। রোজই মারধরের অভিযোগও করেন তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত স্ত্রীয়ের নাম সারিতা দেবী। স্বমী শিকান্দার সাহনিকে নিজের শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করে সারিতা। মদ্যপ অবস্থাতেই স্ত্রীয়ের উপর রোজ অত্যাচার করত শিকান্দার। ঘটনার দিনও মদ্যপ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। পাশপাশি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত ছিল শিকান্দার।

প্রতীকী ছবি(Photo Credit :PTI)

নয়াদিল্লি, ২৩ ফেব্রুয়ারি: স্বামীকে হত্যা করে গ্রেফতার ৩৫ বছরের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে (Delhi)। অভিযোগ, সন্তানদের সামনেই প্রতিদিন তাকে গালিগালাজ করত স্বামী। শুধু তাই-ই নয়। রোজই মারধরের অভিযোগও করেন তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত স্ত্রীয়ের নাম সারিতা দেবী। স্বমী শিকান্দার সাহনিকে নিজের শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করে সারিতা। মদ্যপ অবস্থাতেই স্ত্রীয়ের উপর রোজ অত্যাচার করত শিকান্দার। ঘটনার দিনও মদ্যপ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। পাশপাশি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত ছিল শিকান্দার।

ঘটনার পর সফদরজং হাসপাতালে স্বামীকে নিয়ে যায় সারিতা। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে শিকান্দারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। সাহানির গলায় ফাঁসের দাগ চিহ্নিত করেন। এরপর পুলিশ কর্মীরা স্বত:প্রণোদিতভাবে একটি খুনের মামলা দায়ের করেন। এরপর ঘটনার তদন্তে নেমে সারিতাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। কিন্তু পুলিশকে বারবার বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে সারিতা, জানালেন ডিসিপি (সাউথ) অতুল ঠাকুর।

অতুল ঠাকুরের কথায়, "মৃতের স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তিনি সঠিকভাবে কিছুই বলতে চাইছিলেন না। মিথ্যে তথ্য দিচ্ছিলেন বারবার। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করেই জানা যায় যে, সেই রাতে কেউই আসেননি তাদের বাড়িতে।" দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর নিজের দোষ শিকার করে নেয় সারিতা। শিকান্দারের স্ত্রীয়ের কথায়, 'আমার স্বামী কোনও কাজই করত না। মদ্যপানে আসক্ত ছিল। শুধু তাই নয়। প্রতিদিনই রাতে মদ্যপ অবস্থায় আমাকে গালিগালাজ করত, বাচ্চাদের সামনেই আমাকে মারধর করত। প্রতিদিনকার এই অত্যাচার থেকে রেহাই পেতেই খুন করতে বাধ্য হই।'

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement