Odisha Flood: টানা বৃষ্টিতে ওড়িশায় জলযন্ত্রণা, খোর্ধার বাণপুরে বন্যা, তছনছ বাড়ি
Odisha Flood: বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ওড়িশার একাধিক জেলায় অব্যাহত মুষলধারে বৃষ্টি। তার জেরে রাজ্যটির উপকূলীয় ও দক্ষিণ অংশে তৈরি হয়েছে তীব্র জলজট এবং বন্যা পরিস্থিতি।
Odisha Flood: বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ওড়িশার একাধিক জেলায় অব্যাহত মুষলধারে বৃষ্টি। তার জেরে রাজ্যটির উপকূলীয় ও দক্ষিণ অংশে তৈরি হয়েছে তীব্র জলজট এবং বন্যা পরিস্থিতি। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থা খোর্ধা (Khordha) জেলার বাণপুর (Banpur) এলাকায়। লাগাতার বর্ষণে বাণপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে, যার ফলে জনজীবন একপ্রকার স্তব্ধ।
রাতভর অবিরাম বৃষ্টির পর জল ঢুকতে শুরু করে
স্থানীয় সূত্রে খবর, রাতভর অবিরাম বৃষ্টির পর বাণপুর শহরের নিচু এলাকাগুলিতে হু-হু করে জল ঢুকতে শুরু করে। দেখতে দেখতে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ রূপ নেয় যে, একাধিক মূল সড়ক পুরোপুরি জলের তলায় তলিয়ে যায়। বিশেষ করে বাণপুর-বালুগাঁও (Banpur-Balugaon) সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সড়কটিতে জল উঠে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে প্রশাসনিক যোগাযোগ এবং আপৎকালীন পরিষেবা পৌঁছতেও চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
দেখুন ভিডিও
জল ঢুকে পড়ে বসত বাড়িতে
বৃষ্টির জল কেবল রাস্তাতেই আটকে থাকেনি, ঢুকে পড়েছে একাধিক বসত বাড়িতেও। ফলে জলবন্দি হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। রান্নাঘর থেকে বেডরুম, সর্বত্রই বুকসমান জল। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করতেই নাভিশ্বাস উঠছে বাসিন্দাদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্থানীয় উদ্ধারকারী দলগুলোকে।
দেখুন ভিডিও
অন্যদিকে, এই দুর্যোগে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অঞ্চলের বিঘার পর বিঘা ধানের জমি এখন থৈ থৈ জলে ভাসছে। কয়েকমাসের পরিশ্রমে বেড়ে ওঠা কচি ধান গাছ সবই এখন নদীর জলে প্লাবিত। স্থানীয় এক চাষির আক্ষেপ, "ফসল কাটার আর বেশি দিন বাকি ছিল না, কিন্তু এই বন্যায় সব শেষ হয়ে গেল। ধারদেনা করে যে টাকা জমিতে ঢেলেছিলাম, তা কীভাবে শোধ করব জানি না।"
কী বলছে আবহাওয়া দফতর
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় বৃষ্টি কমার বিশেষ কোনও সম্ভাবনা নেই। জেলা প্রশাসনের তরফে নিচু এলাকার মানুষদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং প্রয়োজনে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য অস্থায়ী শিবির খোলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয় জরুরি বিভাগকেও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।