Drone Strike Hits Russia: ইউক্রেনের প্রত্যাঘাতে পুতিনের দেশে ধ্বংসলীলা, রুশ তেলবন্দর প্রিমোরস্কে ড্রোন হামলা, ভারতে প্রভাব পড়বে কি
গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়ার আক্রমণে একেবারে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছে ইউক্রেন। এবার জেলেনস্কির দেশের প্রত্যাঘাত। রাশিয়ার জ্বালানি ক্ষেত্র লক্ষ্য করে ইউক্রেনের আক্রমণ। জেলেনস্কির দেশের ঘাতক ড্রোন এবার এবার পৌঁছে গেল বাল্টিক সাগরের গুরুত্বপূর্ণ প্রিমোরস্ক তেলবন্দরে।
Drone Strike Hits Russia গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়ার আক্রমণে একেবারে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছে ইউক্রেন। এবার জেলেনস্কির দেশের প্রত্যাঘাত। রাশিয়ার জ্বালানি ক্ষেত্র লক্ষ্য করে ইউক্রেনের আক্রমণ। জেলেনস্কির দেশের ঘাতক ড্রোন এবার এবার পৌঁছে গেল বাল্টিক সাগরের গুরুত্বপূর্ণ প্রিমোরস্ক তেলবন্দরে। রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে অবস্থিত এই কৌশলগত বন্দরেই প্রথমবারের মতো ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। এই বন্দর রাশিয়ার প্রধান তেললোডিং টার্মিনাল, যা বাল্টিক পাইপলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। ড্রোন হামলার ফলে বন্দরটিতে থাকা এক তেলবাহী জাহাজ ও পাম্পিং স্টেশনে আগুন ধরে যায়। দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু হলেও সাময়িকভাবে বন্দর বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেনের রাশিয়ার অভ্যন্তরে গভীর অনুপ্রবেশের সক্ষমতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ড্রোন হামলার পরই সেন্ট পিটার্সবার্গের পালকোভো বিমানবন্দর কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে হয়। এর ফলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। রুশ তেলবন্দরে হামলার প্রভাব ভারতের ওপর পড়বে কি না তা স্পষ্ট নয়। কারণ ভারত রাশিয়া থেকেই জ্বালানি তেল কেনে।
প্রিমোরস্ক রাশিয়ার অন্যতম বড় তেল ও জ্বালানি রফতানি টার্মিনাল। এটাই ছিল এই রুশ বন্দরে প্রথম ড্রোন হামলা। হামলার ফলে বন্দরে থাকা একটি অজ্ঞাত জাহাজ ও নিকটবর্তী পাম্পিং স্টেশনে আগুন লাগে।
ইউক্রেন থেকে হাজার কিলোমিটার দূরের রুশ তেলবন্দরে ড্রোন হামলা
অঞ্চলের গভর্নর টেলিগ্রামে দাবি করেন, কোনো তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নেই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রিমোরস্কে হামলা ছিল ইউক্রেনের বৃহত্তর রাতভর ড্রোন অভিযানের অংশ। রুশ সেনার দাবি, ইউক্রেন থেকে উড়ে আসা ২২১টি ড্রোন প্রতিহত করতে সফল হয়েছে তারা। শুধুমাত্র মস্কো অঞ্চলের আকাশেই ৯টি ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে ৩০টির বেশি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে রাশিয়া পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরগুলো থেকে দৈনিক ২.১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করার পরিকল্পনা নিয়েছিল।
দেখুন এই হামলার ছবি ও ভিডিও
আগের হামলাগুলোতেই রাশিয়াকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি, জ্বালানি ঘাটতি ও রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছে। ইউক্রেন আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার দায় স্বীকার করেনি, যা তাদের ‘ডিপ-স্ট্রাইক’ নীতির সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানিতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই হামলা পাল্টা প্রতিশোধের পথ খুলে দিতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।