Karnataka: মূক সন্তানের জন্ম নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় অশান্তি, ছেলেকে কুমিরের মুখে ঠেলে ফেললেন মা

ছয় বছরের নির্বাক ছেলেকে কুমির ভর্তি নদীতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলার হালামডি গ্রামের ঘটনা সাড়া ফেলেছে।

ফাইল ফোটো

মূক সন্তানের জন্ম দিয়েছেন স্ত্রী। এই নিয়ে দম্পতির মধ্যে হামেশাই অশান্তি লেগে থাকত। স্বামী-স্ত্রীর কলহের ফল ভুগতে হল মূক সন্তানকে। ছয় বছরের নির্বাক ছেলেকে কুমির (Crocodile) ভর্তি নদীতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। কর্ণাটকের (Karnataka) উত্তর কন্নড় জেলার হালামডি গ্রামের ঘটনায় সাড়া ফেলেছে। একজন মা এমন নৃশংসতার আচরণ করতে পারে নিজের মূক সন্তানের সঙ্গে! কেউই যেন বিশ্বাস করতে পারছে না। তবে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনটাই ঘটেছে হালামডি গ্রামে।

ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সূত্রে খবর, মূক সন্তানের জন্ম হওয়ার স্ত্রীর (২৬) সঙ্গে প্রায় অশান্তি করতেন স্বামী রবি কুমার (২৭)। ছেলে বিশেষভাবে সক্ষম হওয়ার জন্যে স্ত্রীকেই দায়ী করতেন তিনি। স্বামীর দোষারোপ করা, নিত্য অশান্তি করার জেরে ছয় বছরের ছেলেকে একাধিকবার খুনের হুমকিও দিয়েছিলন মা। শনিবার রাতে ছেলেকে নিয়ে দম্পতির মধ্যে আবারও তুমুল অশান্তি বাধে। এরপরেই চরম সিদ্ধান্ত নেই মহিলা। সেই রাতেই ছেলেকে নিয়ে গিয়ে একটি খালে ঠেলে ফেলে দেন তিনি। সেই খালই যোগ হচ্ছে কুমির ভর্তি কালি নদীতে গিয়ে।

ওই রাতেই ছেলেকে খালে ঠেলে ফেলে দেওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রাই খবর দেয় পুলিশে। রাতে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। নামানো হয় ডুবুরি। কিন্তু রাতের অন্ধকারে তল্লাশি অভিযান ব্যর্থ হয়। এরপর রবিবার সকালে আবারও অভিযান শুরু হয়। উদ্ধার হয় বছর ছয়েকের শিশুর কুমিরে খাওয়া ক্ষতবিক্ষত দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির একটি হাত ছিল না। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্যে। দণ্ডবিধির অধীনে খুনের মামলা রজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত দম্পতির দু বছরের আরও একটি ছেলে আছে বলে জানা গিয়েছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement