Jharkhand: স্কুলে টিফিন খাওয়ার পর হঠাৎই শরীরে অস্বস্তি, হাসপাতালে পৌঁছাতেই মৃত্যু নবম শ্রেণীর ছাত্রীর
স্কুলের তরফে তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ইসিজি পরীক্ষার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই মুহূর্তেই মারা যায় সে। হাসপাতাল থেকে তাঁকে মৃত বলে জানানো হয়।
স্কুলে টিফিন খাওয়ার পর হঠাৎই শরীরে অস্বস্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হল নবম শ্রেণীর ছাত্রীর। ঝাড়খণ্ড জামসেদপুরের সীতারামদেরা একটি সরকার পরিচালিত আদিবাসি স্কুলে রবিবার ঘটে গেল সেই অদ্ভুত ঘটনা। টিফিনের সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে বসে টিফিন খায় কৃতিকা দিবেদী। এরপর এক প্যাকেট চিপিস কিনে খায় সে। তারপর হঠাৎই শুরু হয় শরীরের মধ্যে অদ্ভুত অস্বস্তি। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যায়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। হাসপাতালে মৃত্যু হয় ১৪ বছরের নাবালিকার।
আরও পড়ুনঃ বর্ষাকালীন অধিবেশনের পর স্থির হবে দিনক্ষণ, আপাতত বাতিল বিরোধীদের বৈঠক
ঘটনা প্রসঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, কৃতিকা সকালে যখন স্কুলে এসেছিল সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল সে। টিফিনের সময়ে বাড়ি থেকে আনা খাবার খেয়েছিল ছাত্রী। তারপর সে এক প্যাকেট চিপিসও খায়। এরপরেই সে বন্ধুদের জানায় শারীরিক অস্বস্তির কথা। স্কুলের তরফে তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ইসিজি পরীক্ষার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই মুহূর্তেই মারা যায় সে। হাসপাতাল থেকে তাঁকে মৃত বলে জানানো হয়।
ছাত্রী অসুস্থ হওয়ার পরেই খবর দেওয়া হয়েছিল তাঁর বাড়িতে। পরিবার জানিয়েছে, তাঁদের মেয়ের আগে থেকেই হার্টের কিছু সমস্যা ছিল। যদিও মেয়ের মৃত্যুর কারণ হিসাবে স্কুল কর্তৃপক্ষকেই দোষী ঠাওর করছে বাবা-মা। তাঁদের দাবি, সঠিক সময়ে তাঁদের মেয়েকে হাসপাতালে আনা হয়নি। অনেক দেরি করে আনা হয়েছে। আর সেই কারণেই মৃত্যু হয়েছে মেয়ের। নবম শ্রেণীর পড়ুয়ার মৃত্যুর কারণ তদন্ত করছে পুলিশ। যদিও পরিবারের তরফে এখনও কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)